বাংলাদেশই ইসলামিক সেন্টার অফ এন এস ডব্লিউ ইনক এবং বিআইসি ওয়াকফ মেনেইজমেন্ট ইনক

বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট ২০২২ | ১১:২৮ অপরাহ্ণ | 33 বার

বাংলাদেশই ইসলামিক সেন্টার অফ এন এস ডব্লিউ ইনক এবং বিআইসি ওয়াকফ মেনেইজমেন্ট ইনক

কোর্ট কেইসের প্রাসংগিক ভূমিকা নিম্নে প্রদত্ত হল
১. ২০১৪ সালে আল-জামাটার নামের স্থানীয় এক মুসল্লী বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার তথা মসজিদ আল-উম্মাহ, সেফটন মসজিদ নামে পরিচিত এর বিরুদ্ধে কোর্টে কেইস দায়ের করে। ঐ লোকটি ২০০৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের এক্সিকিউটিব কমিটি দ্বারা কেয়ার টেকার হিসাবে নিয়োজিত ছিল।
২. যারা তাকে সরাসরি লিখিতভাবে নিয়োজিত করেছিলেন তারা হলেনঃ
ক. ৩ জুলাই ২০০৩ ​​ফখরুদ্দিন চৌধুরী
খ. ২১ অক্টোবর ২০০৫ ​​মুমিন ভুঁইয়া
গ. ৮ আগষ্ট ২০০৭​​ মুমিন ভুঁইয়া
ঘ. ২২ আগষ্ট ২০০৮​​ ফখরুদ্দিন চৌধুরী
ঙ. ২৮ জুলাই ২০১২​​ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী
চ. ২৫ অক্টোবর ২০১৩​​ খসরুল আলম তালুকদার
ছ. ২৪ মার্চ ২০১৬​​​ মুহাঃ ইমামুল হক
কিছু লিখিত লেটারের মধ্যে মসজিদ পরিচালনার কথা লিখা আছে। কিছু লেটারের মধ্যে মসজিদের ডনেশন কালেকশনের কথাও লিখা রয়েছে এবং সমগ্র বিল পরিশোধের কথা লিখা রয়েছে। (উল্লেখ্য ইমামুল হকের লেটারে পরিস্কারভাবে লিখিত) যার পরিপ্রেক্ষিতে আল্-জামতার ৫৫৩,০০০ (পাঁচ লক্ষ তিপ্পান্ন হাজার) ডলার কোর্টের মাধ্যমে রায় পেয়ে গেছে। এখন মসজিদ ঐ টাকা পরিশোধ করতেই হবে, অন্যথায় মসজিদ বিক্রি করে তা নিয়ে যাবে।
৩. বিআইসির বিরুদ্ধে (তথা সেফটন মসজিদের) কেইস করার পিছনে কিছু ইতিহাস রয়েছে যা প্রদত্ত হলঃ
ক. ২০১৪ সালে বিআই এক্সিকিউটিব কমিটি তথা সেফটন মসজিদের বিরুদ্ধে আল-জামাতার ডিস্ট্রিক কোর্টে একটি কেইস দায়ের করলে বিবাদী হিসাবে বিআইসি আদাতে উপস্থিত হয়নি। ফলে আল জামাতার (তথা আবু আহমদ) প্রায় ২০০,০০০ (দুই লক্ষ) ডলারের রায় (ডিফল্ড জাজামেন্ট) পেয়ে যায়। কিন্তু কমিটি তা জনসমক্ষে বা সেন্টারের সদস্যদেরকে প্রকাশ্যে জানায়নি। অবশেষে নতুন আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা আদালত তা খারিজ করে দেয়। কিন্তু আল-জামাতার আবার সেই কেইস সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করে।
খ. ২০১৯ সালে বিআইসি ঐ কেইসের সমর্থনে দলিলাদি উপস্থিত করেনি। কিন্তু কিছু লাইফ মেম্বার তখনকার কমিটির প্রেসিডেন্টকে লিখিতভাবে সতর্ক করা হলেও তিনি তা অগ্রাহ্য করেন। এবং ডিফেন্স দেয়ার দলিলাদি দিতে চাইলেও তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে কোন ডিফেন্স ছাড়াই তখনকার প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দিন চৌধুরী কেইস চালিয়ে যান ফলে মামলায় হেরে যান।
গ. বিআইসি ওয়াকফ ম্যানেইজমেন্টের বর্তমান এক্সিকিউটিব কমিটি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিল, কিন্তু পূর্বে আদালতে ডিফেন্স না দেয়ার কারণে আপিলটি খারিজ হয়ে যায়। অবশেষে সুদ সহ রায়ের পরিমাণ দাড়ায় ৩৫৩,১১৭ ডলার।
ঘ. ডিস্ট্রিক কোর্টে পূর্বের কমিটি থাকা অবস্থায় আল জামাতার দ্বিতীয় আরেকটি কেইস দাখিল করে। যা ৯ জুন থেকে ১৬ জুন ২০২২ শুনানি হয়। ২০০৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিআইসির বিভিন্ন সময়ের এক্সিকিউটিব কমিটি আল-জামাতারকে কেয়ারটেকারের চিঠি প্রদান করে। কোর্ট সে সকল চিঠিকে বহাল রেখে তার পক্ষে আবারো প্রায় ২০০,০০০ (দুই লক্ষ) ডলারের রায় দেয়। খরচসহ বিআইসির বর্তমান মোট দায়ভার প্রায় ৬০০,০০০ (ছয় লক্ষ) ডলার।
৪. বিগত ২৯ মে ২০২১ সালের সাধারণ সভায় আল জামাতার ও তার ছেলেকে সম্পূর্ণভাবে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়। এবং বর্তমান বিআইসি ওয়াক্‌ফ ম্যানেইজমেন্ট পূর্ণ মাত্রায় বিআইসি এবং মসজিদ আল উম্মাহ তথা সেফটন মসজিদ নিয়ন্ত্রণে আনে।
৫. আল্-হামদুলিল্লাহ বর্তমান কমিটি সুষ্ট তত্বাবধান ও জবাদিহিতাকে সামনে রেখে দক্ষভাবে পরিচালনা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ কমিউনিটির পুরো তত্বাবধানে মসজিদটি চলছে এবং বর্তমানে সেফটন মসজিদ এখন ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে অষ্ট্রেলিয়াসহ সমগ্র মুসলিম সম্প্রদায়ের।
৬. বর্তমান কমিটি তথা বিআইসি ওয়াকফ ম্যানেইজমেন্ট আল জামাতারের প্রথম কেইসটি আপিল করেছিল কিন্তু বিগত কমিটি ২০১৯ সালে ডিফেন্ড দেয়ার সুযোগ থাকা সত্বেও তা করেনি, ফলে টেকনিক্যাল গ্রাউন্ডে মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। এরিই প্রেক্ষাপটে বিগত ৪ নভেম্বর ২০২১ আল-জামাতার তার পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে মসজিদটি বিক্রির জন্য লিগেল নোটিশ প্রদান করে।
৭. উপরোল্লিখিত বিষয়গুলোসহ মসজিদকে সুরক্ষা, অবহেলা, ব্যর্থতা ও দূরভিসন্ধিমূলক আচরণ থেকে রক্ষার জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ নিয়েছে বর্তমান কমিটি। এরই অংশ হিসাবে বর্তমান মসজিদ এবং ৯নং হেলেন স্ট্রিটের প্রপার্টিসহ এখন এটি চিরস্থায়ী ট্রাষ্ট হিসাবে পরিগণিত হবে যা বিগত ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিভাবে গৃহীত হয়।
৮. বিআইসির সকল সম্পদ (মসজিদ এবং ৯ নং হেলেন স্ট্রিটের বাড়িটি) সমগ্র মুসলিমের পক্ষ থেকে এখন ট্রাষ্টির অধীনে পরিচালিত হবে। যারা ট্রাষ্টি মেম্বার হবেন তাদেরকে অবশ্যইঃ
ক. দশ হাজার ডলার ট্রাষ্ট ফান্ডে জমা দিতে হবে।
খ. প্রেক্টিসিং মুসলিম হতে হবে।
গ. যারা পূর্বে মসজিদের অকল্যানে কাজ করেন নাই।

ঘ. যিনি বাংলাদেশী বংশদ্ভুত।
৯. বিআইসি ওয়াকফ ম্যানেইজম্যান্ট এক্সিকিউটিব কমিটির মিটিংয়ে বর্তমান ট্রাষ্টিদের তালিকা সংরক্ষিত করা হয়েছে।
১০. উপরোল্লিখিত গুণাবলী সম্পন্ন লোকদেরকে ট্রাষ্টিতে রাখার জন্য আবেদন এখনো খোলা রাখা হয়েছে।
১১. বিআইসি ওয়াকফ ম্যানেইজম্যান্ট, ট্রাষ্টির পক্ষ থেকে বিআইসির সকল সম্পদ রক্ষাবেক্ষণ করবেন। ম্যানেজার হিসাবে কমিটি কাজ করবে কিন্তু বিআইসি তাদের কর্মকান্ডের কোন দায়ভার গ্রহণ করবে না।
১২. বিগত ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ এও পাশ করা হয় যে, ট্রাষ্টির পক্ষ থেকে ম্যানেইজমেন্ট কমিটি শুধুমাত্র মসজিদ পরিচালনার দায়িত্বভার নিবে কিন্তু সম্পদ বিক্রয়, লিজ দেয়া বা কাউকে হস্তান্তর করা বা বিআইসির বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা নেয়ারও ক্ষমতা রাখবে না।
১৩. এই ‘আরম লেন্থ’ দূরত্বের কারণে সেফটন মসজিদ এবং এর সম্পদ সমগ্র অষ্ট্রেলিয়ার মুসলিম সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে নিরাপদ থাকবে।
১৪. মহান আল্লাহর রহমতে ব্রিজবেইনের, গোল্ড কোস্টে বসবাসকারী হাজী মোহাম্মদ শাহীম খলিল (‘দ্য ওশান-হার্টেড’), সেফটন মসজিদের ঋণদাতা আল-জামতারের কাছে হারিয়ে যাওয়া মসজিদকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছেন। তিনি ৩১৪,০০০ (তিন লক্ষ চৌদ্দ হাজার) পরিশোধ করতে রাজি হন। তিনি এই অর্থ ঋণ হিসাবে প্রদান করবেন যা তাকে ধীরে ধীরে পর্যায়ক্রমে ফেরত দেওয়া হবে। ঋণের প্রথম কিস্তি ১,১৭,০০০ (এক লক্ষ সতের হাজার) পরিশোধ করে ফেলেছেন।
১৫. যার অবদানের কারণে মসজিদটি আমরা রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি। আসলে তাকে ‘সমুদ্রের মত হ্রদয়’ খেতাবটি সম্মানসূচক হিসাবে দেয়া হয়েছে।
১৬. ইসলামিক আউটরিচ প্রোগ্রামের জন্য সারফেস প্যারাডাইসে ২.৫ মিলিয়ন ডলার দিয়ে একটি জায়গা কিনেছেন যা ইসলামিক চিন্তা ও গবেষণার কাজে ব্যবহ্রত হবে।
১৭. যারা মসজিদকে রক্ষা ও এর উন্নয়নে সহযোগিতা করতে চান, তারা বিআইসি ওয়াক্ফ ম্যানেইজমেন্টের একাউন্টে আপনার অনুদান জমা দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলঃ
বিআইসি ওয়াক্ফ ম্যানেইজমেন্ট ইনক
বিএসবিঃ ০১২-২২০ একাউন্ট ন‍ংঃ ৬৪২৬-৪৮০৭৯
১৮. নিঃস্বার্থ ও ত্যাগী হাজী শাহিম খলিল (দি ওয়াশিয়ান হার্টেড) আল্লাহ পাকের কুরআনের সুরায়ে তাওবার ১৮ নং আয়াতের দ্বারা উদ্বোদ্ধ হয়েই সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছন।
যেখানে আল্লাহ পাক বলেছেনঃ
শুধুমাত্র নিম্নবর্ণিত লোকেরাই আল্লাহর ঘরের কল্যাণে কাজ করার উপযু্ক্তঃ
এক. যারা একমাত্র একক আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলায় বিশ্বাসী
দুই. যারা বিচার দিনের প্রকৃত হিসাবে বিশ্বাসী
তিন. যারা সকলের জন্য নামাজের (ইবাদতের) ব্যবস্থা করে দেয়।
চার. যারা যাকাত প্রদান করে

পাঁচ. (উপরোক্ত চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তিরা) আর যারা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে পরওয়া করে না।
ঐ সমস্ত লোকেরাই সঠিক পথের অনুসারী।
১৯. ফান্ড রেইজিং ডিনারঃ মসজিদ আল উম্মাহ (সেফটন) মসজিদের ঋণ পরিশোধের জন্য বর্তমন কমিটি একটি ফান্ড রেইজিং ডিনারের ব্যবস্থা করেছে, যারা বিবরণ নিম্নে প্রদত্ত হলঃ আপনাদের সকলের উপস্থিতি একান্ত কাম্য।
তারিখঃ ​২৮ আগষ্ট, রবিবার, ২০২২
স্থানঃ ​​হাইল্যান্ড ভেন্যু (লেভেল-৩) লিটিল সাইগন প্লাজা
৪৮২ চ্যাপেল রোড, ব্যাংক্সটাউন, এনএসডব্লিউ-২২০০
২০. বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ কমিউনিটির ৩ জন বিচ্ছিন্ন লোক বর্তমানে সুষ্টভাবে পরিচালিত কমিটির বিরুদ্ধে কোর্টে অবৈধ্য কমিটি বলে একটি অনাকাংখিত আবেদন দায়ের করে। তা বিগত ২৩ জুন ২০২২ কোর্ট নিস্পত্তি করে দেয় এবং বর্তমান কমিটির পক্ষে রায় দেয়। তাদের বিরুদ্ধে ৮,৭০৯ পরিশোধের নোটিশ কোর্ট জারি করে।
২১. কবির আহমদ রাজু নামে এক ব্যক্তি বিগত ২৪ জানুয়ারী ২০২২ বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টারের বিপক্ষে কোর্ট থেকে ৯৬,২৫৩.৫৮ (ছিয়ান্নবই হাজার দুইশত তিপ্পান্ন) ডলারের গার্নিশি ওয়ার্ডার নিয়ে নিয়েছে। এই সুবাদে বিভিন্ন সময় বিআইসির একাউন্ট থেকে টাকা উঠিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু বর্তমানে কমিটি বিআইসি ওয়াকফ ম্যানেইজমেন্টের নামে একাউন্ট খোলার কারণে এখন আর সে টাকা উঠিয়ে নিতে পারছে না।
২২. আগষ্ট মাসের বিভিন্ন শুক্রবারে গিয়ে ঐ তিন ব্যক্তি আরও একজন সাথে করে বিশৃংখলা সৃষ্টির চেষ্টা করে, বিভিন্ন চতুরতার আশ্রয় নেয়, কিন্তু বর্তমান কমিটি তা সুষ্টভাবে দমন করে। বিগত ১২ আগষ্টে জুম্মার সময় ব্যাঘাত ঘটাতে চেষ্টা করলে আমরা পুলিশের স্বরণাপন্ন হই। পুলিশ তখন তাদেরকে মসজিদ থেকে বের করে দেয় এবং ২৪ ঘন্টার জন্য বেন্ড করে, পরবর্তীতে বর্তমান কমিটি তাদের বিরুদ্ধে ব্যানিং নোটিশ জারি করে।
২৩. উল্লেখ্য যে, ঐ চার ব্যক্তি আল জামাতারের বাসায় গিয়ে পরিকল্পনা করে তার সহযোগিতায় মসজিদে এসে বিশৃংখলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে ছিল। কিন্তু আল্লাহর রহমতে আমরা তা প্রতিহত করতে সমর্থ হই।
২৪. সকল বাংলাদেশী মুসলিমদের কাছে অনুরোধ আপনারা সেফটন মসজিদে আসুন নামাজ পড়ুন। বিশষত শুক্রবারে আসুন ও আমাদের সকল কর্মতৎপরতা পর্যবেক্ষণ করুন এবং পরামর্শ দিন।
২৫. বর্তমান কমিটি ক্ষমতায় আসার পর নয়নাভিরাম ও সাচ্ছ্যন্দ মানের অজুখানা ও টয়লেট প্রায় ৪০ হাজার ডলার ব্যায়ে মুসল্লীদের জন্য করা দেয় যা বিগত দশ বছর যাবত অবহেলিত ছিল। প্রায় ২৫ হাজার ডলার ব্যয়ে উন্নত মানের সিকিউরিটি সিষ্টেম ইনস্টল করা হয়েছে। যার সুবাদে বিভিন্ন কারণে মাঝে-মধ্যে স্থানীয় পুলিশও আমাদের কাছ থেকে সহযোগিতা নেয়। প্রায় ৭০ হাজার ডলার ব্যয়ে ৯নং হ্যালেন ষ্ট্রিট বাড়িটিকে মহিলাদের নামাজের জন্য সংস্কার করা হয়েছে।
২৬. আমাদের অনেক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের পরিকল্পনা রয়েছে। আপনাদের সহযোগিতা ও পরামর্শ একান্ত কাম্য।

প্রেরক: ড. রাশেদ রশীদ প্রেসিডেন্ট
বিআইসি ওয়াকফ ম্যানেইজমেন্ট
২০ আগষ্ট ২০২২। সিডনি।

Comments

comments

২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। নবধারা নিউজ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Development by: webnewsdesign.com