মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে। চাঁদ দেখা বা ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা অথবা হজ্জের তারিখ ফলো করে বিভিন্ন কমিউনিটি রোববার ও সোমবার ঈদ পালন করেছে। বিভিন্ন স্থানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদ ছাড়াও মুসলিম সেন্টার, খোলা […]
মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে। চাঁদ দেখা বা ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা অথবা হজ্জের তারিখ ফলো করে বিভিন্ন কমিউনিটি রোববার ও সোমবার ঈদ পালন করেছে।

বিভিন্ন স্থানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদ ছাড়াও মুসলিম সেন্টার, খোলা মাঠ, পার্ক এবং হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় ঈদ জামাত। বাঙালি অধ্যুষিত ও সর্বাদিক মসজিদের এলাকা সিডনির ল্যাকান্বাতেই বেশ কিছু ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে সিডনি ছাড়াও, ভিক্টোরিয়া, ক্যানবেরা, ব্রিসবেনসহ প্রায় সব অঙ্গরাজ্যেই ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আমেজে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

নামাজ ও খুৎবা শেষে বিশ্ববাসীর জন্য দোয়া করেন ইমামরা। তারপর প্রবাসী বাংলাদেশিরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রায় সবাই নতুন পোশাকে নিকট প্রতিবেশীদের বাসায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
হযরত ইব্রাহিম (আ:) এবং হযরত ইসমাইল (আ:) এর আল্লাহর প্রতি আত্মত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত থেকেই পশু কোরবানির প্রথা চালু হয়। আর ইব্রাহিম (আ:) এর সময় থেকেই হজ্ব ফরজ ইবাদত হিসেবে নির্ধারিত করা হয়। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য জীবনে একবার হজ্ব পালন করতে হবে।