আতিকুর রহমান \ অষ্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সোশ্যাল সিকিউরিটি চুক্তি সার্পোট গ্রুপের উদ্যোগে সিডনীর গেøনফিল্ড কমিউনিটি হলে গত ১ মার্চ এক কমিউনিটি সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে । বৃষ্টির দিনেও সিডনীর বিভিনড়ব প্রান্ত থেকে আশাতিরিক্ত বিভিনড়ব রাজ‣নতিক, সাংবাদিক, সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ গনমান্য ব্যক্তিবএই কমিউনিটি সভা ও কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন । কমিউনিটি সভায় […]
আতিকুর রহমান \




অষ্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সোশ্যাল সিকিউরিটি চুক্তি সার্পোট গ্রুপের উদ্যোগে সিডনীর গেøনফিল্ড কমিউনিটি হলে গত ১ মার্চ এক কমিউনিটি সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে । বৃষ্টির দিনেও সিডনীর বিভিনড়ব প্রান্ত থেকে আশাতিরিক্ত বিভিনড়ব রাজ‣নতিক, সাংবাদিক, সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ গনমান্য ব্যক্তিবএই কমিউনিটি সভা ও কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন । কমিউনিটি সভায় সভাপতিত্ব করেন সার্পোট গ্রুপের কো-অর্ডিনেটর ড. আনিছুল আফছার ও পরিচালনা করেন সার্পোট গ্রæপের সদস্য জনাব আবুল সরকার। জনাব আবুল সরকারের সূচনা বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানের মূল বিষয়বস্ত ব্যাখা করেন ড. আফছার। ড. আফছার প্রজেক্টের নমাধ্যমে এ চুক্তি কি এবং তা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা, বাংলাদেশ সরকার কিভাবে লাভবান হতে পারে তা ব্যাখ্যা করেন। ড. আফছার বলেন, বর্তমান সোস্যাল সিকিউরিটি নিয়মানুযায়ী অবসর ভাতা পেতে হলে অষ্ট্রেলিয়াতে বসবাস করতে হবে। অর্থাৎ কেউ বাংলাদেশে গিয়ে বসবাস করলে নির্দিষ্ট সময়ের পর এ ভাতা থেকে বঞ্চিত হবে। অথচ অষ্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিকিউরিটি চুক্তিটি হলে অষ্ট্রেলিয়া বাংলাদেশেী বাংলাদেশে থাকলেও অবসরকালীন ভাতা থেকে বঞ্চিত হবে না। সার্পোট গ্রæপের অন্যতম সদস্য সরদার আমীর আজম চুক্তিটি বাস্তবায়ন হলে দুই দেশের কি কি লাভ হবে তার একটি অর্থ‣নতিক বিশ্লেশন তুলে ধরেন। এ চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই অষ্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ সোশ্যাল সিকিউরিটি চুক্তি সার্পোট গ্রুপ মূলত কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান। এখানে উল্লেখ্য যে, পৃথিবীর ২৯টি দেশের সাথে অষ্ট্রেলিয়া সরকারের সোস্যাল সিকিউরিটি চুক্তি রয়েছে। ভারতের সাথে চুক্তি বাস্তবায়নের পথে। অনেক দেশ এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ডেনমার্ক, গ্রিস, আমেরিকা, কোরিয়া, কানাডা, সাইপ্রাস, চিলি, জাপান, মাল্টা, নরওয়ে, নিউজিল্যাল্ড প্রমুখ দেশের সাথে এ চুক্তি ইতিমধ্যেই সম্পাদন হয়েছে। এ চুক্তি বাস্তবায়ন হবে অষ্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে। অতএব দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের কাজটিই করবে অষ্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সোস্যাল সিকিউরিটি চুক্তি সার্পোট গ্রুপ। কর্মশালার মূল বিষয়বস্ত ব্যাখ্যার পর সাপোর্ট গ্রুপের প্রয়োজনীয় কর্মপন্থা নির্ধারণ এবং চুক্তি বাস্তবায়নের বিভিনড়ব কার্যক্রমের উপর উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মতামত ব্যক্ত করেন। মতামত সভায় উপস্থিত ছিলেন প্যারাম্যাটা সিটি কাউনিন্সলের কাউন্সিলর ড. শাহাদত চে․ধুরী, দেশ বিদেশ পত্রিকার সম্পাদক বদরুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান তরুন, আজম সরদার, ড. মাকছুল বারী, ড. মাসুদ পারভেজ, সাদেকুর রহমান মুন, আবদুস সোবাহান, ড. নিজাম চে․ধুরী, ড. আবুল কাশেম, ড. মিজানুর রহমান, ইসমাইল মিয়া, মাসুদ চে․ধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম, নাসিম সামাদ, শাহ আলম ক্সসয়দ, কামরুল ইসলাম সি.এ, হাবিবুর রহমান, মোহম্মদ জিলানী, জহিরুল হক কাজী, ডা: মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মো. আশরাফ উদ্দিন, আবদুস সাত্তার খাজা, সাদা কালো পত্রিকার সম্পাদক কামরুল হোসেন, এম, এ জলিল, শামছুর রহমান শিমুল, নবধারা নিউজ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ড. হায়দার ঝিলু, দেশ বিদেশ পত্রিকার উপদেষ্টা আতিকুর রহমান, বাংলার কন্ঠের সম্পাদক জাকির হোসেন সহ প্রমুখ। বক্তারা দবলেন, এ চুক্তি বাস্তবায়ন হলে অষ্ট্রেলিয়ান বাংলাদেশীরা স্বদেশের পরিজনের সাথে বসবাস ছাড়াও মাতৃভমির প্রতি একটি দৃঢ় বন্ধন সৃষ্টি করতে পারবেন। তারা এ চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়ার জন্য সার্পোট গ্রæপের কর্মকর্তাবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। সোশ্যাল সিকিউরিটি চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতার আশ্বাসের পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের অষ্ট্রেলিয়ায় নিয়োজিত হাই কমিশনকেও এগিয়ে আসার উদ্দাত্ত আহ্বান জানান। পরে উপস্থিত সকলের মতামতের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়। সঞ্চালকের দক্ষ পরিচালনায় এবং উপস্থিত সকলের স্বত:স্ফুর্ত অংশগ্রহনের মাধ্যমে সম্পূর্ন ভিনড়ব ধারার এই কমিউনিটি সভা ও কর্মশালাটি ছিল প্রানবন্ত ও সাফল্যমন্ডিত একটি অনুষ্ঠান। পরিশেষে সংগঠনের সংবাদ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পরিবেশনের জন্য সকল মিডিয়ার প্রতি এবং বৃষ্টির মধ্যে সিডনীর বিভিনড়ব প্রান্ত থেকে আসার জন্য সভাপতি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।