Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ nobodharanews

অস্ট্রেলিয়ান সংবাদ
৩:৪১ এএম, ১৩ নভেম্বর ২০১৪

ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলুমনাই এসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার (DUAAA) বাৎসরিক সাধারণ সভা ও পুনর্মিলণী ২০১৪ অনুষ্ঠিত

  নাইম আবদুল্লাহঃ গত ৯ নভেম্বর রবিবার ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলুমনাই এসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার (DUAAA) বাৎসরিক সাধারণ সভা ও পুনর্মিলণী ২০১৪ অনুষ্ঠিত হয়। সিডনির ইঙ্গেলবার্ন কমিউনিটি হলে তারা পঞ্চম পুনর্মিলণী উৎযাপন করে। ২০১০ সালে ঢাকা ইউনিভার্সিটির কিছু কর্মোদ্যোগী প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা সিডনিতে ডুআ সংগঠনটি গড়ে তোলে। এই দিনটি ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল এক অনন্য অসাধারন […]

ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলুমনাই এসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার (DUAAA) বাৎসরিক সাধারণ সভা ও পুনর্মিলণী ২০১৪ অনুষ্ঠিত
৩ মিনিটে পড়ুন |
photo 1 (1) photo 2 (1) 

নাইম আবদুল্লাহঃ গত ৯ নভেম্বর রবিবার ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলুমনাই এসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার (DUAAA) বাৎসরিক সাধারণ সভা ও পুনর্মিলণী ২০১৪ অনুষ্ঠিত হয়।

সিডনির ইঙ্গেলবার্ন কমিউনিটি হলে তারা পঞ্চম পুনর্মিলণী উৎযাপন করে।

২০১০ সালে ঢাকা ইউনিভার্সিটির কিছু কর্মোদ্যোগী প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা সিডনিতে ডুআ সংগঠনটি গড়ে তোলে।

এই দিনটি ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল এক অনন্য অসাধারন দিন। তারা ফিরে যায় ফেলে আসা তারুন্যে উচ্ছল ঝলমলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই দিনগুলোতে। তাইতো সেদিন শত ব্যস্ততার মাঝেও সিডনী, ক্যানবেরা, মেলবর্ন থেকে প্রানের টানে ছুটে আসে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

এই অনুষ্ঠানে সন্মানিত প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৬২ ব্যাচের অর্থনীতির প্রাক্তন ছাত্রি ও বর্তমানে সিডনীতে বসবাসরত মিসেস হুসনে আরা। বিশেষ অতিথি ছিলেন ক্যানবেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক ডঃ আলী কাজী এবং রয়্যাল মেলবোর্ন ইন্সিটিউট অফ টেকনোলজির (RMIT) সহযোগী অধ্যাপক ডঃ শরীফ আস সাবের।

অনুষ্ঠানটির প্রথম পর্বে বার্ষিক সাধারণ সভা দুপুর বারটায় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব মোস্তফা আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে শুরু হয়।

তারপর সাধারণ সম্পাদক আনিস মজুমদার বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করেন। তিনি প্রতিবেদনে গত এক বৎসরে ডুআ এর কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করে সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও জানান যে, ডুআ’র সদস্য সংখ্যা বেড়ে বর্তমানে ১৬৩ তে পৌঁছেছে। তারপর তিনি নব নির্বাচিত নির্বাহী পরিষদকে পরিচয় করিয়ে দেন।

 

এরপর দ্বিতীয় পর্বে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় সেলিমা বেগমের সাবলীল উপস্থাপনায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সিডনিতে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৬১ শিক্ষাবর্ষের অর্থনীতি বিভাগের প্রাক্তন ছাত্রী মিসেস হোসনে আরা। তিনি তার শিক্ষাজীবনের স্মৃতি চারণ করে বলেন, আমাদের সময় মেয়েদের পড়াশুনা করা আজকের মতো সহজ ছিল না। অথচ আজকের বাংলাদেশে মেয়েরাই নেতৃত্ব দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ক্যানবেরা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের স্কুল অফ ম্যানেজমেণ্টের অধ্যাপক ডঃ আলী কাজী এবং রয়্যাল মেলবোর্ন ইন্সিটিউট অফ টেকনোলজির (RMIT) সহযোগী অধ্যাপক ডঃ শরীফ আস সাবের। তারা বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে আমরা অত্যন্ত গর্বের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়েরই প্রতিনিধিত্ব করছি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম লগ্ন থেকে শুরু থেকে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা ও পটভূমির আলোকে “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অতীত ও বর্তমান” শিরোনামে একটি স্লাইড শো উপস্থাপন করেন সংগঠনটির কার্যকরী কমিটির সদস্য ডঃ সৈয়দা জাকিয়া হোসেন।  ডুআ’র উদ্দেশ্য ও বিভিন্ন বাস্তবমুখী কর্মসূচী ব্যাখ্যা করে বৃত্তি প্রদান এই কর্মসূচীর একটি বিশেষ পদক্ষেপ বলে জানালেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ডুআ এ পর্যন্ত ঢাকা ইউনিভার্সিটির তিনজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে গত দুই বৎসর যাবত বৃত্তি প্রদান করে আসছে।

সভাপতির সমাপনি ভাষনে জনাব মোস্তফা অনুষ্ঠান সফল করে তোলার জন্য যারা শ্রম দিয়েছেন তাদেরকে অভিনন্দন জানান এবং নতুন কমিটি নির্বাচন করায় সদস্যদেরকে ধন্যবাদ জানান।

তারপর জনাব মোস্তফা সদস্য এবং অতিথিদেরকে মধ্যাহ্ন ভোজে আমন্ত্রন জানান। অনুষ্ঠান জুড়ে চলতে থাকে স্মৃতিরোমন্থনের পালা। মনের মণিকোঠায় আগলে রাখা দামি সোনালী সেইসব দিনের কথা বলতে যেয়ে তাদের চোখমূখ উদ্ভাসিত হয়ে উঠে কী এক অচেনা আলোয়। সবাই মেতে উঠে সহপাঠীদের সাথে আড্ডা আর খুনসুটিতে। জীবনের অনেক পথ পাড়ি দিয়ে সবাই যেন আবার একটি দিনের জন্যে হারিয়ে যায় প্রিয় শিক্ষাঙ্গনে ফেলে আসা দিনগুলোতে।

পরবর্তী পর্বে ছিল ট্রিভিয়া কম্পিটিশন “জল পড়ে পাতা নড়ে”। এই পর্বটির পরিকল্পনা, গ্রন্থনা ও উপস্থাপনায় ছিলেন নাফিজা চৌধুরী মিনি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে সাজানো হয় প্রশ্নমালা। এই প্রতিযোগীতায় তিন জনকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরষ্কারপ্রাপ্তরা তাদের প্রাইজ মানি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যান তহবিলে দান করেন।

সবশেষে প্রতীক্ষিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। এই পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী শুভ্রা ও মাসুদ সুরের মায়াজালে মুগ্ধ করে রাখেন দর্শক-শ্রোতাদের।  পুরানো দিনের সেই সব গান সবাইকে নষ্টালজিক করে তোলে।

র‍্যাফেল ড্র দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

প্রাক্তন ছাত্রদের এই মিলন মেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবারের মতো এবারো প্রকাশিত হয় প্রবাসী লেখক ও কবিদের লেখা নিয়ে বর্নাঢ্য সংকলন “নানান রঙয়ের দিন গুলি”।

 

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

সিডনি প্রবাসীদের ঈদুল ফিতর উদযাপন
৩ বছর আগে
সিডনিতে স্মরণ সভা ও একুশের আলোচনা অনুষ্ঠিত
৩ বছর আগে
সিডনির সফল রেস্টুরেন্ট উদ্যোক্তা মিল্টন
৪ বছর আগে
সিডনিতে বাংলাদেশী ডেন্টিস্টদের মিলনমেলা
৪ বছর আগে
সিডনির ল্যাকাম্বায় বাণিজ্য মেলার আয়োজন
৪ বছর আগে

Advertise with us
Advertise with us
আরও nobodharanews সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com