সিডনি: অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে প্রবল বর্ষণে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের ফলে দেশটির পূর্ব উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বৃষ্টিপাতের ফলে পানির স্রোতের তোড়ে কয়েক হাজার বাড়িঘরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয় এবং সেখানকার বেশ কয়েকটি এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। গত রোববার কুইন্সল্যান্ড থেকে অ্যানাস্তাসিয়া পালাসজুক ব্রিসবেন থেকে […]
সিডনি: অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে প্রবল বর্ষণে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের ফলে দেশটির পূর্ব উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
বৃষ্টিপাতের ফলে পানির স্রোতের তোড়ে কয়েক হাজার বাড়িঘরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয় এবং সেখানকার বেশ কয়েকটি এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
গত রোববার কুইন্সল্যান্ড থেকে অ্যানাস্তাসিয়া পালাসজুক ব্রিসবেন থেকে চ্যানেল সেভেনকে বলেন, ‘এত অল্প সময়ের মধ্যে আমরা এই বিপুল পরিমাণ বৃষ্টিপাত আগে কখনও দেখিনি।’
পুলিশ ও সমুদ্রে নিয়োজিত জীবনরক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানান, ঝড়ের সময় উত্তরাঞ্চলীয় এনএসডব্লিউ সৈকতের উত্তাল সমুদ্রে গত শনিবার ৬ বছর বয়সী এক বালক ভেসে গেছে।
ছেলেটি তার বাবা ও বড় ভাইয়ের সঙ্গে সাউথ বালিনা সৈকতে হাঁটার সময় উত্তাল সমুদ্র তাকে টেনে নিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, জেলেরা তাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর পর সেখানে সে মারা যায়। এই নিয়ে প্রাকৃতিক এই দুর্যোগটিতে ৬ জনের মৃত্যু হল।
এর আগে গত শুক্রবার ব্রিসবেন থেকে ৪৪ কিলোমিটার (২৭মাইল) উত্তরে অবস্থিত ক্যাব্যুলটুরে আকস্মিক বন্যায় স্রোতের তোড়ে দুটি চার চাকার গাড়ি ভেসে গেলে ৫ বছর বয়সী এক বালকসহ ৫ জন প্রাণ হারায়।
আঞ্চলিক মেয়র অ্যালান সুটারল্যা- এই বৃষ্টিপাতকে ‘২০০০ বছরের মধ্যে একটি বিশেষ ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আবহাওয়ার বিভাগের পূর্বাভাসদানকারী সারাহ্ চ্যাডউইক বলেন, উত্তরাঞ্চলীয় শহর এনএসডব্লিউতে এই বৃষ্টিপাতে যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট শনিবার বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার এই ভয়াবহ ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কুইন্সল্যান্ডকে সহায়তা দেবে।
এনএসডব্লিতে ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতে চার জনের মৃত্যুর মাত্র কয়েক দিন পর এই প্রবল বর্ষণ দেখা দিল।