ক্রিকেট যুদ্ধে একসময়ের পরাক্রমশালী ইংল্যান্ডকে ১৫ রানে পরাজিত করে এক খেলা বাকি থাকতেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় রাউন্ডে উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ এই খেলাটি সম্পর্কে প্রবাসীদের মধ্যেও ব্যাপক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছিল। শেষ পর্যন্ত এক দুর্দান্ত জয়ে আনন্দের ঢেউ বয়ে যায় প্রবাসীদের মধ্যে। আর দলের এ গৌরবময় বিজয়ে আনন্দ-উল্লাসে ভেসেছে সিডনি প্রবাসী বাঙালিরা। সিডনিতে ল্যাকেম্বা ও রকঢেল […]
ক্রিকেট যুদ্ধে একসময়ের পরাক্রমশালী ইংল্যান্ডকে ১৫ রানে পরাজিত করে এক খেলা বাকি থাকতেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় রাউন্ডে উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ এই খেলাটি সম্পর্কে প্রবাসীদের মধ্যেও ব্যাপক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছিল। শেষ পর্যন্ত এক দুর্দান্ত জয়ে আনন্দের ঢেউ বয়ে যায় প্রবাসীদের মধ্যে। আর দলের এ গৌরবময় বিজয়ে আনন্দ-উল্লাসে ভেসেছে সিডনি প্রবাসী বাঙালিরা। সিডনিতে ল্যাকেম্বা ও রকঢেল শহরে বেরিয়েছে বড় আনন্দ মিছিল।
ঢাকাতে ক্রিকেট প্রেমীদের উল্লাস থামছেই না। বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের জয়ে কোয়াটার ফাইনাল নিশ্চিত করার পর শহরে বেরিয়েছে আনন্দ মিছিল। এদিনও বিভিন্ন এলাকা থেকে খন্ড খন্ড মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীরাও লাল সবুজের পতাকা নিয়ে বেরিয়ে পড়ে সড়কে। এদিন অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিলে মিছিলে নারায়ণগঞ্জ চাষাড়ায় হাজারো দর্শক মাতোয়ারা হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল করে দর্শকরা। চাষাড়ায় এসে বাদ্য বাজনা বাজিয়ে নেচে গেয়ে উল্লাস করে দর্শকরা। এসব মিছিলে ছোট বড় ছেলে মেয়েদের সাথে উল্লাস করেছে বুড়োরাও।অনেকেই বলছেন, ১৯৭১ সালের পর এটাই ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশের সেরা প্রাপ্তি। শাবাশ বাংলাদেশ।