ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন মন্ত্রী ঘোষণা করেছেন: মুসলমানদের জন্য দেশের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলো আরও আকর্ষণ করার কোনও পরিকল্পনা নেই। ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন ও সৃজনশীল অর্থনীতি মন্ত্রী বিশনুতামা মিডিয়ায় প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যের সমালোচনা করে ঘোষণা করেছেন: আপাতত বালি দ্বীপ এবং সুমাত্রার উত্তরে তুবা লেক মুসলিম পর্যটন গন্তব্যে রূপান্তর করার কোনও পরিকল্পনা নেই। এর আগে পর্যটন ও সৃজনশীল অর্থনীতি মন্ত্রী বিশনুতামা’র […]
ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন মন্ত্রী ঘোষণা করেছেন: মুসলমানদের জন্য দেশের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলো আরও আকর্ষণ করার কোনও পরিকল্পনা নেই।
ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন ও সৃজনশীল অর্থনীতি মন্ত্রী বিশনুতামা মিডিয়ায় প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যের সমালোচনা করে ঘোষণা করেছেন: আপাতত বালি দ্বীপ এবং সুমাত্রার উত্তরে তুবা লেক মুসলিম পর্যটন গন্তব্যে রূপান্তর করার কোনও পরিকল্পনা নেই।
এর আগে পর্যটন ও সৃজনশীল অর্থনীতি মন্ত্রী বিশনুতামা’র উদ্ধৃতি দিয়ে মিডিয়া ঘোষণা করেছিল: বালি দ্বীপ এবং সুমাত্রার উত্তরে তুবা লেক অঞ্চল দু’টি মূলত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নয়। পর্যটন মন্ত্রণালয় এই দুটি অঞ্চলকে পর্যটকদের প্রধান গন্তব্যস্থান হিসেবে পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতেকরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিম পর্যটকগণ এই স্থানে ভ্রমণ করার জন্য আকৃষ্ট হন।
এ প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন মন্ত্রী বলেছেন: আমরা সর্বদা বিশ্বাস করি যে আমাদের অবশ্যই স্থানীয় সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং পরিচালনা করতে হবে। যাতেকরে ইন্দোনেশিয়া সর্বদা পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়। আর এটি মানুষের জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করবে। স্থানীয় সংস্কৃতি অনুসারে এই মন্ত্রণালয় বালি দ্বীপ এবং তুবা লেক বিকাশের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।