নাইম আবদুল্লাহঃ তকাল ১৪ ফেব্রুয়ারী (শনিবার) ছিল ভেলেন্টাইন ডে। মুলধারার এই সাংষ্কৃতির সাথে সিডনিতে প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটিও উৎসব আমেজে পালন করলো দিনটি। প্রিয়জনকে উপহার দেওয়া কিংবা ভালবাসার রঙ লাল বর্ণের পোষাকে সজ্জিত হয়ে প্রিয়জনের সানিধ্যে খানিকটা সময় কাটিয়ে আনন্দের জোয়ারে মেতেছিল সবাই। ভালবাসা সার্বজনীন। সেই অর্থে এই ভালবাসা শুধু প্রেমিক প্রেমিকা কিংবা স্বামী স্ত্রীর মধ্য […]
নাইম আবদুল্লাহঃ
তকাল ১৪ ফেব্রুয়ারী (শনিবার) ছিল ভেলেন্টাইন ডে। মুলধারার এই সাংষ্কৃতির সাথে সিডনিতে প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটিও উৎসব আমেজে পালন করলো দিনটি। প্রিয়জনকে উপহার দেওয়া কিংবা ভালবাসার রঙ লাল বর্ণের পোষাকে সজ্জিত হয়ে প্রিয়জনের সানিধ্যে খানিকটা সময় কাটিয়ে আনন্দের জোয়ারে মেতেছিল সবাই।
ভালবাসা সার্বজনীন। সেই অর্থে এই ভালবাসা শুধু প্রেমিক প্রেমিকা কিংবা স্বামী স্ত্রীর মধ্য সীমাবদ্ধ না থেকে এর প্রভাব বিস্তৃতি ছিল পিতা-পূত্র, মা-মেয়ে থেকে শুরু করে প্রতিটি সম্পর্কের মাঝে।
প্রিয়জনদের শুধু লাল গোলাপ উপহার দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলনা ভেলেন্টাইন ডে। আবহাওয়া ভালো ও উইকএন্ড থাকায় দিনটি ছিল সিডনিতে উৎসবমুখর। নুতন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের ফেসবুকে ছবি আপলোড করা ও স্ট্যাটাস দিতে দেখা যায়। কেউ কেউ আবার প্রিয়জনদের নিয়ে লং ড্রাইভে রওনা হয়েছে। দেখা গেছে অন্যদের দল বেঁধে রেস্টুরেন্টে খাবার খেতে। আবার বন্ধু ও পরিবার পরিজন নিয়ে দেশীয় পোশাকে বারবিকিউ কিংবা দেশীয় মুখরোচক খাবার দিয়ে এই ভালবাসার দিনটিকে বরণ করেছে। এছাড়াও বাংলাদেশে ফোন করে অনেকে তাদের প্রিয়জনদের ভেলেন্টাইন ডে’ র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
এইবার পহেলা ফাল্গুন ও ভেলেন্টাইন ডে পাশাপাশি হওয়ায় এই দূর পরবাসে দুই প্রজন্মের মধ্যে উৎসব আয়োজনের কোন কমতি ছিল না।