আজ মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) জোহরের নামাজের পর ল্যাকেম্বার অয়াঞ্জী রোডের বড় মসজিদে বাংলাদেশী মরহুম শহীদুর রহমান শাহিনের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।মরহুমের পরিবার, নিকট আত্মীয়, প্রবাসী বাংলাদেশীসহ অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী মুসলমানরা জানাযায় শরীক হয়ে তাঁর রূহের মাগফেরাতের জন্য দোয়া করেন। জানাজার পর কাম্বেল টাউনের নারেলেন মুসলিম কবরস্থানে শাহীনকে সমাহিত করা হয়। এর আগে গত শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) […]

আজ মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) জোহরের নামাজের পর ল্যাকেম্বার অয়াঞ্জী রোডের বড় মসজিদে বাংলাদেশী মরহুম শহীদুর রহমান শাহিনের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।মরহুমের পরিবার, নিকট আত্মীয়, প্রবাসী বাংলাদেশীসহ অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী মুসলমানরা জানাযায় শরীক হয়ে তাঁর রূহের মাগফেরাতের জন্য দোয়া করেন।
জানাজার পর কাম্বেল টাউনের নারেলেন মুসলিম কবরস্থানে শাহীনকে সমাহিত করা হয়।
এর আগে গত শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) শাহীনের (২৭) জানাজার নামাজের আগে পুলিশ এসে লাশ নিয়ে যায় বলে জানান তার বাবা মো. আতাই।
গত মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালে সিডনির লাকেম্বা প্যারি পার্ক থেকে পুলিশ শাহীনের লাশ উদ্ধার করে। স্থানীয় হাসপাতালে ময়না তদন্তের পর পুলিশ গত বৃহস্পতিবার(৩০ অক্টোবর) শাহীনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর লাশ হিমঘরে রাখা হয়।
গত শুক্রবার ( ৩১ অক্টোবর) লাকেম্বা বড় মসজিদে জুম্মার নামাজে জানাজার পর কাম্বেল টাউনের নারেলেন মুসলিম কবরস্থানে শাহীনকে দাফন করার কথা ছিলো। সেইঅনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু জানাজার আগে শাহীনের মৃতদেহ পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য নিয়ে যায় সিডনি পুলিশ।
শাহীন ২০০৯ সালে পরিবারের সঙ্গে স্কিল মাইগ্রেশন নিয়ে অস্ট্রেলিয়া আসেন এবং মা-বাবার সঙ্গে সিডনির ওয়ালি পার্ক এলাকায় বসবাস করতেন। শাহীনরা পাঁচ ভাই, দুইবোন। তিনি সবার বড়। তারা বাংলাদেশের সিলেটের অধিবাসী।
পরিবার জানায়, গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে শাহীন বাসা থেকে বেড়িয়ে যাবার পর আর বাসায় ফেরেননি। পরদিন সকালে স্থানীয় পুলিশ বাসায় এসে মা-বাবাকে ছবিদেখিয়ে শাহীনের পরিচয় নিশ্চিত করে।
জানা গেছে, এ ব্যাপারে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।