বিশ্বজুড়ে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়। সিডনির ল্যাকান্বাতে বিশ্ব নারী দিবস উদযাপন করলো একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নবধারা নিউজ। অষ্ট্রেলিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিদের নারী সুরক্ষার উপর এই সেমিনারের আয়োজন। গণসচেতনতা তৈরীতে গত ৮ মার্চ এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন কমিউনিটি লিডার নাছিম সামাদ। আর সেমিনারের আয়োজক সাংবাদিক, হোয়াইট রিবন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাম্বাসাডর ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং মাইন্ডফুলনেস-এর […]
বিশ্বজুড়ে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়। সিডনির ল্যাকান্বাতে বিশ্ব নারী দিবস উদযাপন করলো একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নবধারা নিউজ।
অষ্ট্রেলিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিদের নারী সুরক্ষার উপর এই সেমিনারের আয়োজন। গণসচেতনতা তৈরীতে গত ৮ মার্চ এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন কমিউনিটি লিডার নাছিম সামাদ।
আর সেমিনারের আয়োজক সাংবাদিক, হোয়াইট রিবন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাম্বাসাডর ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং মাইন্ডফুলনেস-এর এডুকেটর আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, দিনটির পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের দীর্ঘ ইতিহাস। এই নারী কখনো আপনার মা, কখনো আপনার বোন আবার কখনো স্ত্রী এবং কণ্যা।
ডা: ফারজানা ইউসুফ বলেন, বিশ্বে নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দিবসটির তাৎপর্য এবং গুরুত্ব অপরিসীম। আর বর্তমানে সর্বক্ষেত্রে নারীরা যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছেন।
অস্ট্রেলিয়ার আসন্ন রাজ্য নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রার্থী সাবরিনা ফারুকী উর্শী বিশ্বের সব নারীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁদের অব্যাহত সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।
সেমিনারে বক্তব্য রাখেন মানসিক স্বাস্থ্য এবং মাইন্ডফুলনেস-এর এডুকেটর কানিতা আহমেদ। তিনি মহিলাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলেন এবং বিশ্বের নারী সমাজের সব নারীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সন্পাদক বদরুল আলম বলেন, বিশ্বের নির্যাতিত নারীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বক্তারা বলেন,
১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। দিবসটি পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে সারা পৃথিবী জুড়েই পালিত হচ্ছে দিনটি নারীর সমঅধিকার আদায়ের প্রত্যয় নিয়ে।
নাছিম সামাদ বলেন, ১৯০৮ সালে ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে প্রথম নারী সম্মেলন করা হয় এবং এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সাল থেকে জাতিসংঘ দিনটিকে নারী দিবস হিসেবে পালন করছে।
নবধারা নিউজের আমন্ত্রণে বক্তব্য দেন আবিদা আসওয়াদ, নিতু, দিলারা জামান ও রাশেদ খান প্রমুখ। উক্ত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অর্গানাইজেশেনর সদস্যবৃন্দ। স্পন্সর হিসাবে ছিলেন ‘কিডস্ আর আস ফ্যামিলি ডে কেয়ার’।
সেমিনার দুইজন নারীকে লটারীর মাধ্যমে নির্বাচিত করে পুরুষ্কার দেয়া হয়। সবশেষে কেক কাটা ও নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয় ।