বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক সৃষ্টিকারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সম্পর্কে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে সিডনির বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করে সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ খোকন। সম্প্রতি এই করোনা ভাইরাসের করণীয় বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচক আলোচনা করেছেন। উক্ত সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজক নবধারা নিউজ। সেমিনারে আবিদা আসওয়াদের সঞ্চলনায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যকর্মী আবুল কালাম আজাদ খোকন। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কাজের শুরু ও […]
বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক সৃষ্টিকারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সম্পর্কে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে সিডনির বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করে সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ খোকন। সম্প্রতি এই করোনা ভাইরাসের করণীয় বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচক আলোচনা করেছেন।
উক্ত সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজক নবধারা নিউজ। সেমিনারে আবিদা আসওয়াদের সঞ্চলনায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যকর্মী আবুল কালাম আজাদ খোকন। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কাজের শুরু ও শেষে ভালো ভাবে হাত ধৌঁত করতে হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার নিয়মও মেনে চলতে হবে। আর সংক্রমণের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে ও ভবিষ্যতে এর প্রাদুর্ভাব ঠেকানোতে সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখা উচিৎ।’
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে সেমিনারে প্রধান বক্তা ছিলেন সেন্ট জর্জ হাসপাতালের ডাক্তার ওয়াহিদা খানম। তিনি আলোচনা করেছেন করোনা ভাইরাসজনিত রোগের প্রক্রিয়া, লক্ষণ, বিস্তার, প্রতিকার এবং করণীয় বিভিন্ন বিষয়ে।
আয়োজক সেমিনারে সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। উপস্থিত শ্রোতারাও স্বীকার করেছেন-জনগণের সচেতনতা ছাড়া করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সম্ভব নয়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন তাজুল ইসলাম, আলী সিকদার, বেলায়েত রবিন, ফয়জুল আজীম চঞ্চল, খালিদ প্রমুখ।

এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাস পুরো বিশ্বের জাতীয় সমস্যা। করোনাভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়োজনে যে বিষয়ে আমাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ তা হলো-
১.তাইওয়ানের বিশেষজ্ঞরা করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করার একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। পরীক্ষাটা হলো-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে লম্বা একটা শ্বাস নিয়ে সেটাকে দশ সেকেন্ডের কিছুটা বেশি সময় ধরে আটকে রাখুন। যদি এই দম ধরে রাখার সময়ে আপনার কোনো কাশি না আসে, বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভব না হয়, মানে কোনো প্রকার অস্বস্তি না লাগে, তার মানে আপনার ফুসফুসে কোনো ফাইব্রোসিস তৈরি হয়নি অর্থাৎ কোনো ইনফেকশন হয়নি, আপনি সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত আছেন।
২.জাপানের ডাক্তারদের উপদেশ দিয়েছেন যে, সবাই চেষ্টা করবেন যেন আপনার গলা ও মুখের ভেতরটা কখনো শুকনো না হয়ে যায়, ভেজা ভেজা থাকে। তাই প্রতি পনেরো মিনিট অন্তর একচুমুক হলেও পানি পান করুন। কারণ, কোনোভাবে ভাইরাসটি আপনার মুখ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করলেও সেটি পানির সাথে পাকস্থলীতে চলে যাবে, আর পাকস্থলীর এসিড মুহূর্তেই সেই ভাইরাসকে মেরে ফেলবে।
৩.ভাইরাস সনাক্তকরণের পর কমপক্ষে ১৪ দিন নিজের বাড়িতে বিচ্ছিন্ন থাকতে হবে। ৪.গুরুতর হলে হাসপাতালে ভর্তি জরুরী।
৫.যথাসম্ভব ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন
৬.বড় জনসমাগম এড়িয়ে চলুন
৭.করোনাভাইরাস নাক দিয়ে শ্বাসযন্ত্রের ট্র্যাক্টে আক্রমণ করে। তাই মাস্ক ব্যবহার করা ভালো