দীর্ঘ চার বৎসর গভীর কোমায় আচ্ছন্ন থেকে অবশেষে শিক্ষার্থী তরুন রিফাত মোস্তফার মৃত্যু-ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ২৫ বৎসর। সিডনির ব্লাকটাউন হসপিটালে গত ২ নভেন্বর ইন্তেকাল এবং ৬ নভেন্বর শুক্রবার বাদ জুন্মা রুটিহিল মসজিদে মরহুম রিফাতের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী সিডনির বেলমোরে (বাংলাদেশী অধ্যুষিত […]
দীর্ঘ চার বৎসর গভীর কোমায় আচ্ছন্ন থেকে অবশেষে শিক্ষার্থী তরুন রিফাত মোস্তফার মৃত্যু-ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ২৫ বৎসর। সিডনির ব্লাকটাউন হসপিটালে গত ২ নভেন্বর ইন্তেকাল এবং ৬ নভেন্বর শুক্রবার বাদ জুন্মা রুটিহিল মসজিদে মরহুম রিফাতের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী সিডনির বেলমোরে (বাংলাদেশী অধ্যুষিত ক্যান্টারবারী এলাকায়) দিবাগত রাত ৩:৪০ মিনিটে একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত বাকি দু’জনকে উদ্ধার করে সেন্ট জর্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই অপর একজনের মৃত্যু হয়। আর তৃতীয়জনই হলেন রিফাত মোস্তফা যিনি এই ৪ বৎসর কোমাতে থেকে মৃত্যুবরন করলেন।

এই ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশী ছাত্র রিফাত আশঙ্কাজনকভাবে ক্রমানয়ে সেন্ট জর্জ হাসপিটাল, লিভারপুল হাসপিটাল এবং ব্লাকটাউনের গ্রুপ হোম কেয়ারে চিকিৎসাধীন ছিলেন শেষ পর্যন্ত। রিফাত ২০১৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইউটিএস) ব্যাচেলর অব কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে ছাত্র হিসাবে অষ্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আসেন।

রিফাতের পরিবারের বড় ভাই রাশেদ মোস্তফা সিডনিতে মাস্টার্সে পড়াশুনা সম্পূর্ণ করেছেন।তাঁর বাবা গোলাম মোস্তফা ব্যবস্যায়িক কাজে কুয়েতে অবস্থান করেন। প্রসঙ্গত, দু:খপ্রকাশ করে মরহুমের বড় ভাই রাশেদ বলছিলেন, এই চারটি বছর আমার ভাইকে কেউ একবারও ভিজিট করতে আসেনি।
নামাজে জানাজায় বড়ভাই রাশেদ মোস্তফা ছাড়া পরিবারের আর কেউ অংশগ্রহন করতে পারেনি। এখন মৃতদেহ বাংলাদেশে প্রেরণের জন্য পাসপোর্ট বাতিল ও ডেথ সার্টিফিকেটসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়ার কাজ চলছে।