গত রোববার ১৫ই জুলাই সিডনি শহরের পাশে গ্লান্ডফিল্ড কমিউনিটি সেন্টারে অনারম্বর ভাবে পিঠা উৎসব আনুষ্ঠিত হয়। পিঠা উৎসবের পাশাপাশি আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা ও মধ্যাহ্নভোজ। পিঠা উৎসবের উদ্যোগ নিয়েছেন সাব্বির এলাহী তান্না ও তাসলিমা আহমেদ মুন্নি। তবে আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতা করেছে সিডনি প্রবাসী বাঙ্গালী মহিলারা। আয়োজক তান্না ও মুন্নি ২০০৭ সাল থেকে এ পিঠা […]
গত রোববার ১৫ই জুলাই সিডনি শহরের পাশে গ্লান্ডফিল্ড কমিউনিটি সেন্টারে অনারম্বর ভাবে পিঠা উৎসব আনুষ্ঠিত হয়। পিঠা উৎসবের পাশাপাশি আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা ও মধ্যাহ্নভোজ।
পিঠা উৎসবের উদ্যোগ নিয়েছেন সাব্বির এলাহী তান্না ও তাসলিমা আহমেদ মুন্নি। তবে আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতা করেছে সিডনি প্রবাসী বাঙ্গালী মহিলারা। আয়োজক তান্না ও মুন্নি ২০০৭ সাল থেকে এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করে চলেছে। এবার তাঁরা ১২তম পিঠা উৎসব শেষ করলেন।

সিডনি প্রবাসী রমণীদের নিজ হাতের তৈরী (দোকান থেকে ক্রয়কৃত নয়) ৩০ ধরণের পিঠার আয়োজন ছিল। এ উৎসব দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে।
আয়োজকরা জানান, প্রবাসে অবস্থিত বাংলা ভাষাভাষি মানুষের মাঝে নিজেদের ঐতিহ্যকে ধারণ ও লালন করতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া প্রবাসী বাঙালিদের মনকে একটু চাঙ্গা করতে এবং অড্ডার সুযোগ করে দেওয়া জন্যই এ আয়োজন।

পিঠাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল-সুন্দরী পাকন পিঠা, নারকেলি পুলি পিঠা, পাটি সাপটা পিঠা, রস পিঠা, রাসভরি পিঠা, চিতই পিঠা, দুধ চিতই পিঠা, ভাপা পিঠা, নকশী পিঠা, বিবিখানা পিঠা, তেলের পিঠা, মিরা পিঠা, ডিম সুন্দরী পিঠা, ফুলঝুডি পিঠা, পাতা পিঠা, নিমকি, মাংশের ঝালকিমা পিঠা, গোলাপ পিঠা, মাছ পিঠা, কলার পিঠা, মেরা বা মুঠা পিঠা, চিট রুটি পিঠা, দই বোড়া পিঠা, হৃদয়হরণ পিঠাসহ নানার রঙের পিঠা।
মিষ্টির মধ্যে ছিল চমচম, রসগোল্লা, রসমালাই, জর্দ্দা, দুধ লাউ, দুধ সেমাই, ছানার লাড্ডু, গাজর লাড্ডু, কালো জাম, ক্ষীর ইত্যাদি।