সিডনিতে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে তিন দিনব্যাপী অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ ট্রেড কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল এবং অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ দিনে ১৫ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় শ্যাংরি-লা হোটেলে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (এবিবিসি) উদ্যোগে বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস এবং গালা নাইটস অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তারপর বাংলাদেশি হাইকমিশনার, […]
সিডনিতে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে তিন দিনব্যাপী অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ ট্রেড কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল এবং অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।
সর্বশেষ দিনে ১৫ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় শ্যাংরি-লা হোটেলে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (এবিবিসি) উদ্যোগে বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস এবং গালা নাইটস অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তারপর বাংলাদেশি হাইকমিশনার, মন্ত্রী, এমপি, ব্যবসায়ী ও এবিবিসি নেতারা বক্তব্য দেন।
সেতার বাজিয়ে গান পরিবেশন করা হয়। পরে সিমরান একটি ইংরেজী গান পরিবেশন করেন। ইভেন্টটিতে ব্যবসায়িক সফল পারফরম্যান্সকে স্বীকৃতি জানাতে ১৩টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়।
উপস্থিত ছিলেন- অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুফিউর রহমান, ডেপুটি হাই কমিশনার তারেক আহমেদ ও হাইকমিশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা। সিডনি কনসাল জেনারেল খন্দকার মাসুদুল আলমসহ অন্যান্য অফিস কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি আসিফ কাউনাইন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সরকার, সহ-সভাপতি নির্মল্য তালুকদার, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হক, মনিরুল ইসলাম, হোসেইন আরজু, সাহাদাত সরকার, লিটন বাউল, মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, মোহাম্মদ হোসাইন বাবু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মন্ত্রী, এমপি, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন তাদের সিডনির কনসুলার অফিসে পূর্বে বাণিজ্য সম্মেলনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে সংবাদ সম্মেলনও করেছেন।
এই ট্রেড কনফারেন্স উপলক্ষে বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতিসহ প্রায় ৬০ জন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর একটি দল আসেন। পাশাপাশি ট্রেড কনফারেন্সকে সাফল্যমণ্ডিত করতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
সম্মেলনে আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল- ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ের প্রচার ও প্রসার, বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদেরকে জড়িত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা, বিজনেসের নেটওয়ার্কিং শক্তিশালী করা, দুই দেশের ব্যবসা সংক্রান্ত টেক্স ও বাণিজ্য সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে আলোচনা।