স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের তিন লিজেন্ড শিল্পী প্রথমবারের মত সিডনিতে একত্রে গান করবেন। সংগীতসন্ধ্যায় থাকছেন আপেল মাহমুদ, রথীন্দ্রনাথ রায় ও কাদেরী কিবরিয়া। মহান স্বাধীনতার মাসে আগামী ২৯ মার্চ লিভারপুলের মার্কিউরি হোটেলের বলরুমে এই অনুষ্ঠান। একাত্তর সালে তাদের যে সুর বাংলাদেশীদের অনুপ্রানিত করেছিলো, সেই সুর একই সাথে উপভোগ করতে পারবেন সিডনিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা। অনুষ্ঠানে গানের পাশাপাশি […]
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের তিন লিজেন্ড শিল্পী প্রথমবারের মত সিডনিতে একত্রে গান করবেন। সংগীতসন্ধ্যায় থাকছেন আপেল মাহমুদ, রথীন্দ্রনাথ রায় ও কাদেরী কিবরিয়া।
মহান স্বাধীনতার মাসে আগামী ২৯ মার্চ লিভারপুলের মার্কিউরি হোটেলের বলরুমে এই অনুষ্ঠান।
একাত্তর সালে তাদের যে সুর বাংলাদেশীদের অনুপ্রানিত করেছিলো, সেই সুর একই সাথে উপভোগ করতে পারবেন সিডনিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা। অনুষ্ঠানে গানের পাশাপাশি থাকবে একাত্তরের স্মৃতিচারনা।
‘সোলার ওয়াল্ড’ প্রতিষ্ঠানের এক দশক পূর্তি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন। আয়োজক এনাম অনুষ্ঠানের ব্যাপারে বেশ সারা পাবেন বলে আশাবাদী। অনুষ্ঠানটির নাম দেয়া হয়েছে ‘গানে গানে ৭১ এর কথকথা’।
আপেল মাহমুদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র হতে প্রচারিত ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ ও ‘তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর’ গানের গায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
দেশাত্ববোধক গান ছাড়াও তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত, লালনগীতি, গণসঙ্গীত ও আধুনিক ধারার গান গেয়েছেন।
রথীন্দ্রনাথ রায় বাংলাদেশের লোকসঙ্গীতের একজন প্রখ্যাত শিল্পী। তিনি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতারের নিয়মিত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে গান পরিবেশন করে অনন্য ভূমিকা পালন করেন এবং কণ্ঠযুদ্ধশিল্পী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে ‘তুমি আরেকবার আসিয়া যাও মোরে কান্দাইয়া’, ‘খোদার ঘরে নালিশ করতে দিল না আমারে’, ‘সবাই বলে বয়স বাড়ে আমি বলি কমে রে’, হীরামতি ইত্যাদি।
কাদেরী কিবরিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে সক্রিয়ভাবে দেশাত্ববোধক গানের শিল্পী হিসেবে গান করেছেন। স্বাধীনতা উত্তর তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী হিসেবে প্রচন্ড জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁর প্রিয় একটি গান ‘তোমার হল শুরু আমার হল সারা’।