একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান ও ভালোবাসা দেখানো সমাজের একটা অংশ। সেটা যে কোনো সংস্কৃতির হোক না কেন! অন্যের সংস্কৃতিকে সম্মান দেখাতে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে বহুজাতিক অভিবাসীদের দেশ অস্ট্রেলিয়া। হারমনি ডে তারই একটা অংশ। অস্ট্রেলিয়াতে হারমনি ডে ২১ মার্চে উদযাপন করা হয়। ১৯৯৯ সাল থেকে বহুজাতিক অভিবাসীদের সম্মানে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি বছর এই দিবসটি […]
একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান ও ভালোবাসা দেখানো সমাজের একটা অংশ। সেটা যে কোনো সংস্কৃতির হোক না কেন! অন্যের সংস্কৃতিকে সম্মান দেখাতে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে বহুজাতিক অভিবাসীদের দেশ অস্ট্রেলিয়া। হারমনি ডে তারই একটা অংশ।
অস্ট্রেলিয়াতে হারমনি ডে ২১ মার্চে উদযাপন করা হয়। ১৯৯৯ সাল থেকে বহুজাতিক অভিবাসীদের সম্মানে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি বছর এই দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।

অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক বিভিন্ন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের নিজ নিজ দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উপস্থাপন করে। হারমনি ডে উদযাপনে পারস্পরিক বিভিন্ন অভিবাসীদের ঐক্য, ঐতিহ্যগত কর্মক্ষমতা, পোশাক, সঙ্গীত, শিল্প, খাদ্য দিয়ে সম্মান জানানো হয়।
অভিবাসীদের সম্মানে সিডনির ল্যাকাম্বায় নবধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘হারমনি ডে’ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটির উপর আলোচনা করেন বক্তরা। রকমারি খাবারের পর কেক কেটে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানেন।
হারমনি ডে অ্যাম্বাসেডর আবুল কালাম আজাদ খোকন বলেন, অস্ট্রেলিয়া একটি মাল্টিকালচারাল অভিবাসীদের দেশ। আর এই সকল অভিবাসীদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ধর্ম, খাবার ও পোশাককে সম্মান জানানোর জন্যই ‘হারমনি ডে’র সৃষ্টি।