নাইম আবদুল্লাহঃ সিডনি ইউনিভার্সিটির প্রবাসী বাংলাদেশ স্টুডেন্টস এ্যাসোসিয়েশন ঈদুল আযহা পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করে। ঐতিয্যবাহী বাংলা গান, নাচ, র্যাফেল ড্র, রং-বেরঙয়ের আলোকসজ্জা আর হরেক রকমের দেশীয় খাবারের সমন্বয়ে এক আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় পুনর্মিলনীর অনুষ্ঠানটি। প্রায় চল্লিশজন প্রবাসী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠানে সুরেলা বাঁশি ও গিটার বাজিয়ে এবংআইয়ুব বাচ্চুর গান গেয়ে […]
নাইম আবদুল্লাহঃ সিডনি ইউনিভার্সিটির প্রবাসী বাংলাদেশ স্টুডেন্টস এ্যাসোসিয়েশন ঈদুল আযহা পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করে।
ঐতিয্যবাহী বাংলা গান, নাচ, র্যাফেল ড্র, রং-বেরঙয়ের আলোকসজ্জা আর হরেক রকমের দেশীয় খাবারের সমন্বয়ে এক আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় পুনর্মিলনীর অনুষ্ঠানটি।
প্রায় চল্লিশজন প্রবাসী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠানে সুরেলা বাঁশি ও গিটার বাজিয়ে এবংআইয়ুব বাচ্চুর গান গেয়ে শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখেন ইকবাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে আরো ভিন্ন স্বাধের গান পরিবেশন করেন সাফকাত শফিক ও সেজান মাহমুদ।
সোনিয়া সাশ এর নেতৃত্বে মনোরম নৃত্য পরিবেশন করেন সোনিয়া সাশ, নয়েল চৌধুরী, মরিয়ম ডন ও সিমিয়া সাঈদ।
পরবর্তীতে, র্যাফেল ড্র এর পর আয়োজন করা হয় উম্মুক্ত নৃত্যের।
সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশান গঠিত হয় ২০১২ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর ।
এটি গঠনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এনামুল হক বলেন “বাংলাদেশ ও বাঙ্গালী সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা এবং সেই সাথে নতুন শিক্ষার্থীদের প্রবাসে নতুন পরিবেশের সঙ্গে সঠিকভাবে পথ চলতে দিকনির্দেশনা দেওয়া এই সংগঠনটির মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশর ছাত্র-ছাত্রীরা বিদেশে পড়তে এসে দেশ, দেশের মাটি , দেশের ভাষা যেন ভুলে না যাই সেজন্য এই সংগঠনটি জাতীয় গুরুত্তপূর্ণ দিনগুলো (২১শে ফেব্রুয়ারী, পহেলা বৈশাখ,বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস) পালন করে আসছে।
এ্যাসোসিয়েশনের ভইস প্রেসিডেন্ট বুশরা আহমেদ বলেন, ‘ আমরা অনেক সুন্দরভাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছি। সব বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা একসাথে হতে পেরে অনেক আনন্দ অনুভব করছি। এই ধরনের অনুষ্ঠান আমাদের একত্রে পথ চলতে সহায়তা করবে। ভবিষ্যতে আমরা অনেক ভাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করবো।
পোস্ট গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থী ইকবাল হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, ‘পরিচালনা পর্ষদের সার্বিক চেষ্টার জন্য অনেক ধন্যবাদ। সত্যিই এটা ছিল সার্থক এক পুনর্মিলনী”।
পোস্ট গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থী ফাকির মোহাম্মদ শামিম মিয়া বলেন, “ এই সুন্দর আয়োজনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ”।
আন্ডার গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থী মরিয়ম ডন বলেন, “সব কিছুই ছিল যথার্থ। আমার মনে হয়েছে আমি বাংলাদেশে আছি”।
এ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট অয়াসেক খান জানান, প্রবাসী শিক্ষার্থীরা যেন লেখাপড়ার পাশাপাশি দেশীও সংস্কৃতিকে পারদর্শী হয়ে উঠতে পারে সেজন্য আমারা দেশীও অনুষ্ঠানের আয়োজন করি , এই ধরনের অনুষ্ঠান আমাদের মেধা ও মনের বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করবে।
সবশেষে তিনি পুরো অনুষ্ঠানটিকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলার জন্য উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান।