মহান বিজয় দিবসের নানা আয়োজনে মুখরিত সিডনি। মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে গত ১৩ ডিসেম্বার (রোববার) বাংলাদেশ ফোরাম অব অষ্ট্রেলিয়ার ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন ‘বিএফএ ভয়েস’ এর প্রথম সংখ্যার প্রকাশিত হয়েছে। এই উপলক্ষ্যে সিডনীর রকডেলের কস্তুরী রেস্টুরেন্ট এন্ড ফাংশন সেন্টারে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশন মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ শুতনা করা হয়। বাংলাদেশ ফোরাম অব অষ্ট্রেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন রনির সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখন, সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক আশিক আহমেদ সৌরভ, সহ সভাপতি মোঃ জুনাইদুর রহমান অনন্ত, ও আব্দুল আউয়াল ।
আমন্ত্রিত অতিথীদের শুভেচ্ছা ব্ক্তব্যে অংশগ্রহণ করেন, অস্ট্রেলিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের অনারারি কনস্যুলার জেনারেল এন্থনী কুরী, বিশিষ্ট আইনজীবি জনাব সিরাজুল হক, প্রবীন রাজনীতিবিদ গামা আবদুল কাদির, এ এস এম এনামউল্লাহ, এসবিএস রেড়িওর বাংলা বিভাগের নির্বাহী প্রযোজক আবু রেজা আরেফিন, চার্লস স্টুয়ার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক শিবলী আবদুল্লাহ, আইনজীবি ডঃ জহিরুল হক মোল্লা, সিকদার রিয়েল স্টেটের নির্বাহী পরিচালক আনিস রহমান (রিতু), সুপ্রভাত সিডনীর চিফ রিপোর্টার ফজলে রাব্বী ও রহমতউল্লাহ।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে অনারারি কনস্যুলার জেনারেল এন্থনী কুরী বলেন ” বিএফএ ভয়েস” প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন আরাজনৈতিক পত্রিকা হিসেবে ” বিএফএ ভয়েস” তার অবস্হান অক্ষুন্ন রাখবেন।তিনি আরো বলেন “তার বিশ্বাস অষ্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশী কমিনিটির অগ্রযাত্রায় বিএফএ ভয়েস অগ্রনী ভুমিকা রাখবে”। অষ্ট্রেলিয়ায় বাংলা ভাষার প্রসারে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সন্তানদের বাংলা শেখার উপর গুরূত্ব আরোপ করেন। এই ব্যাপারে সকল মা বাবাকে আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ দেন।
বিএফএ ভয়েস এর সম্পাদক হোসেন মোহাম্মাদ মহসিন ম্যাগাজিন প্রকাশে সহযোগিতা করার জন্য পৃষ্ঠপোষক সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
এরপর সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ ফোরাম অব অষ্ট্রেলিয়ার সভাপতি ও বিএফএ ভয়েস এর সম্পাদক হোসেন মোহাম্মাদ মহসিন।
এরপর আমন্ত্রিত অতিথীদের নিয়ে উপস্হিত দর্শক সামনে বিএফএ ভয়েস” প্রথম সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এই সময় দর্শকরা বিপুল করতালি দিয়ে বাংলাদেশ ফোরাম অব অষ্ট্রেলিয়ার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী রুহল আমিন রাহুল দর্শকদের মাঝে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথীদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
