যথাযোগ্য মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয়নীতি মেনে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি বৎসর ২৬ জানুয়ারি উদযাপন করা হয় ‘হ্যাপি অস্ট্রেলিয়া ডে’। এই দিনটিতে দেশটির সর্বত্রই জাতীয় পতাকা উত্তোলন, প্যারেড, সরকারি পুরস্কার, নাগরিকত্ব অনুষ্ঠানের আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করে জাতি। সরকার, স্থানীয় কাউন্সিল, বিভিন্ন সংগঠন ও কমিউনিটির নেতাকর্মীরা দিবসটি গুরুত্বের সঙ্গে উদযাপন করে থাকে। ১৯৩৫ সালে প্রতিটি রাজ্যে সম্মিলিতভাবে ‘অস্ট্রিলিয়া […]
যথাযোগ্য মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয়নীতি মেনে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি বৎসর ২৬ জানুয়ারি উদযাপন করা হয় ‘হ্যাপি অস্ট্রেলিয়া ডে’। এই দিনটিতে দেশটির সর্বত্রই জাতীয় পতাকা উত্তোলন, প্যারেড, সরকারি পুরস্কার, নাগরিকত্ব অনুষ্ঠানের আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করে জাতি। সরকার, স্থানীয় কাউন্সিল, বিভিন্ন সংগঠন ও কমিউনিটির নেতাকর্মীরা দিবসটি গুরুত্বের সঙ্গে উদযাপন করে থাকে।
১৯৩৫ সালে প্রতিটি রাজ্যে সম্মিলিতভাবে ‘অস্ট্রিলিয়া ডে’ হিসেবে পালন করা শুরু হয়। ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিটি রাজ্যে সর্বজনীন সরকারি ছুটি ভোগ করে। এরপর ধীরে ধীরে অস্ট্রেলিয়ার দিবসের অর্থ ও তাৎপর্য সময়ের সাথে সাথে বিকশিত হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে অথবা ঐতিহাসিকভাবে তারিখটিকে ‘বার্ষিকী দিবস’, ‘ফাউন্ডেশন ডে’
নামকরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার অ্যাবরিজিনাল বা আদিবাসীরা ‘হ্যাপি অস্ট্রেলিয়া ডে’কে একটি কালো অধ্যায় বা শোকের দিন হিসাবে মনে করে থাকেন। রাষ্ট্রীয় বিশেষ অবদানের জন্য এই দিনটিতে ‘অস্ট্রেলিয়া অব দ্য ইয়ার’ পদকও প্রদান করা হয়। তবে এবার কোভিডের কারণে অনুষ্ঠানের ভিন্নতা ছিল।

বাংলাদেশি কমিউনিটিতে যারা এই দিবসটি পালন করেছেন নিন্মে তুলে ধরা হইলো:-
নবধারা ফাউন্ডেশন:
***************
সিডনির স্থানীয় একটি এরাবিয়ান রেষ্টুরেন্টে নবধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘হ্যাপি অস্ট্রেলিয়া দিবস’ উদযাপন করেছে। দিবসে দেশটির জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজক আবুল কালাম আজাদ খোকন অস্ট্রেলিয়া দিবসের তাৎপর্য, উৎস ও ক্রমবিকাশের ধারার সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। ডিনারের পরে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানেন।
নবধারা ফাউন্ডেশনের কর্ণধার আবুল কালাম আজাদ খোকন বলেন, অস্ট্রেলিয়া দিবসের সঠিক ইতিহাসকে কমিউনিটিতে তুলে ধরার উদ্দেশ্যই আমাদের এই আয়োজন ছিল।

‘হোয়াট ইজ অস্ট্রেলিয়া ডে’ তথ্যচিত্র নির্মান:
*********************************
‘হোয়াট ইজ অস্ট্রেলিয়া ডে’ এর উপর ২ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডের একটি তথ্যচিত্র নির্মান করা হয়। ভিডিওটি রচনা ও পরিচালনায় রেমন্ড সালোমন ও প্রযোজনা তত্ত্বাবধানে ছিলেন নায়ক রিয়াজ। অভিনয় করেছে ৭ বছরের শিশু আদ্রিতা আকাশ। চিত্রগ্রাহক শিমুল শিকদার ও স্থিরচিত্র কে দে আকাশ। অন্যান্য সহযোগীতায় ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর শাহে জামান।
তথ্যচিত্র নির্মান নিয়ে রেমন্ড সালোমন বলেন, অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সাথে এদেশের আদিবাসীদের নিপীড়ন নির্যাতনের বিষয়টি এতোই প্রোথিত যে, এটি মুল জাতিসত্ত্বার একদম মুল কেন্দ্রবিন্দুতে আঘাত করে। এমন একটি স্পর্শকাতর অথচ প্রয়োজনীয় বিষয়ে কাজ করতে পেরে আমার ভালো লেগেছে। এ জন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
বিডি হাব সিডনি সংগঠন:
*******************
বিডি হাব সিডনি সংগঠনের সভাপতি আবুল সরকার মিন্টোতে বিডিহাব প্রাঙ্গনে সকাল ১০টায় আমন্ত্রিত কমিউনিটির সকল সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তলন করেন এবং জাতীয় সংগীত বাজান।
বিডি হাব সিডনি সংগঠনের সভাপতি আবুল সরকার বলেন, বিডিহাব এর নিজস্ব প্রাঙ্গনে এখন থেকে অস্ট্রেলিয়া দিবসসহ অন্যান্য দিবসসমূহ নিয়মিত পালন করা হবে।