নাইম আবদুল্লাহ: আজ ১৬ নভেম্বর (রবিবার) সিডনিতে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল “প্রবাসী বাংলাদেশী ক্যান্সার রোগী রাহুল বাইদিয়া’র” চিকিৎসার অর্থ সংগ্রহের জন্য মনোজ্ঞ সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটি মিন্টুর গ্র্যানজ পাবলিক স্কুল হলে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ থেকে আগত কণ্ঠশিল্পী যুগল ইন্দ্রমোহন ও দিপ্তি রাজবংশি অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। স্থানীয় শিল্পীদের মধ্যে সঙ্গীত পরিবেশন করেন আহমেদ ফেরদৌস ইমন, অমিয়া […]

নাইম আবদুল্লাহ: আজ ১৬ নভেম্বর (রবিবার) সিডনিতে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল “প্রবাসী বাংলাদেশী ক্যান্সার রোগী রাহুল বাইদিয়া’র” চিকিৎসার অর্থ সংগ্রহের জন্য মনোজ্ঞ সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানটি মিন্টুর গ্র্যানজ পাবলিক স্কুল হলে অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ থেকে আগত কণ্ঠশিল্পী যুগল ইন্দ্রমোহন ও দিপ্তি রাজবংশি অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন।
স্থানীয় শিল্পীদের মধ্যে সঙ্গীত পরিবেশন করেন আহমেদ ফেরদৌস ইমন, অমিয়া মতিন, জিত, লুতফা খালেদ, মিতা আরফিনা, রোকসানা রহমান, উজ্জ্বল, সাব্বির বিন শহিদ সজল, সাজ্জাদ চৌধুরী বাপ্পি, শফিকুল আলম মিঠু, শুভ্রা মুস্তারিন, পারোমিতা দে, সিরাজুল সালেকিনসহ আরও অনেকে।
তবলায় ও মন্দিরায় সহায়তা করেন তাইফ রহমান ও মোঃ লোকমান হাকিম।
কবিতা আবৃতি করেন শাহিন শাহনেওয়াজ।
রাহুল গত ২০১০ সালের মার্চ মাসে ২৩ বছর বয়সে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হিসাবে ফাইনান্সে ডিপ্লোমা করতে সিডনি আসে। চট্টগ্রাম জেলার মধ্যবিত্ত হিন্দু পরিবারে তার জন্ম।
সিডনি আসার ছয়মাস পর ঐ বছর সেপ্টেম্বর মাসেই তার শরীরে ‘একিউট লিম্ফ ব্লাস্টিক লিউকোমিয়া’ নামে ব্লাড ক্যান্সার পরিবারের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মরনব্যাধি ধরা পরে।
পরবর্তী ছয়মাস তাকে মাসে সাতটা করে কেমোথেরাপি সহ প্রায় পঁচিশটা ইন্ট্রাভেনাস কেমো দেয়া হয়। এই সময় স্থানীয় ম্যাডিব্যাঙ্ক প্রাইভেট সংস্থা তার হাসপাতালের ব্যয়ভার বহন করে।
তার একবছরের স্টুডেন্ট ভিসা শেষ হয় গত ২০১১ এর অগাস্টে। চিকিৎসকদের সুপারিশে অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন তাকে মেডিক্যাল ভিসা ইস্যু করে। ভিসার শর্তানুযায়ী সে অস্ট্রেলিয়ায় থাকতে পারবে কিন্তু চিকিৎসার যাবতীয় খরচ তার নিজের বহন করতে হবে। ম্যাডিব্যাঙ্ক প্রাইভেট সংস্থাটি তার হেলথ ইনস্যুরেন্স বন্ধ করে দেয়।
তারপর থেকে সেন্টজর্জ হাসপাতালের ডাক্তার সিন্ডিকেট, রাহুলের রুমমেট, বিভিন্ন চ্যারিটি অরগানাইজেশন, শিক্ষার্থী ও প্রবাসী বাংলাদেশীসহ অস্ট্রেলিয়ার সর্বস্তরের মানুষ তার চিকিৎসার ব্যয় ভারের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে রেখেছে।
রাহুল ধর্মান্তরিত হয়ে এখন সবার কাছে রায়হান আহমেদ রাহুল নামে পরিচিত।