নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য সরকার নির্বাচনে জিহাদ দিব বিপুল ভোটে জয়ী গত ২৮ মার্চ ২০১৫ তে অনুষ্ঠিতব্য অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য সরকার নির্বাচনে বাংলাদেশী-অস্ট্রেলিয়ান জনাব জিল্লুর রশিদ ভূঁইয়া বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছেন। এই প্রথম একজন বাংলাদেশী, অস্ট্রেলিয়ার রাজ্য পর্যায়ের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই নির্বাচনে ল্যাকেম্বা আসন থেকে তিনি লেবার পার্টির লেবানিজ বংশোদ্ভূত জিহাদ দিবের […]
নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য সরকার নির্বাচনে জিহাদ দিব বিপুল ভোটে জয়ী
গত ২৮ মার্চ ২০১৫ তে অনুষ্ঠিতব্য অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য সরকার নির্বাচনে বাংলাদেশী-অস্ট্রেলিয়ান জনাব জিল্লুর রশিদ ভূঁইয়া বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছেন। এই প্রথম একজন বাংলাদেশী, অস্ট্রেলিয়ার রাজ্য পর্যায়ের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই নির্বাচনে ল্যাকেম্বা আসন থেকে তিনি লেবার পার্টির লেবানিজ বংশোদ্ভূত জিহাদ দিবের কাছে বিপুল সংখ্যক ভোটে পরাজিত হয়েছেন। গতবারের প্রার্থী মাইকেল হাওয়াত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি রশিদ ভূঁইয়াকে মনোনয়ন দেয় লিবারেল পার্টি। অভিবাসী অধ্যুষিত ল্যাকেম্বায় লেবানিজ ও বাংলাদেশী নাগরিকের সংখ্যা বেশি। এ ছাড়া আছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ, চীন ও ভিয়েতনামের অভিবাসীরা।
লাকেম্বা আসনে বাংলাদেশী ভোটার প্রায় চার হাজার। তিন হাজার সাতশো ভোট পেলেই তিনি জয়ী হতে পারতেন এই নির্বাচনে।
এই নির্বাচনের সাথে জড়িয়ে ছিল প্রবাসী বাংলাদেশীদের স্বার্থ ও ক্ষমতায়নের প্রশ্ন। কিন্তু সেই ক্ষমতায়নের প্রশ্নে নির্বাচনে রশিদ ভূঁইয়ার পরাজয়ের কারণ হিসাবে বাংলাদেশীদের নিজেদের মধ্যকার আভ্যন্তরীণ ক্রোন্দল, মতানৈক্য ও দুর্বল গন-সংযোগেকে অভিজ্ঞ মহল দায়ী করেছেন।
‘অভিবাসী অধ্যুষিত ল্যাকেম্বায় মনোনয়ন দেওয়ার পেছনে দলের কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য আছে কি না?’ এই প্রশ্নের জবাবে নির্বাচনের পূর্বে রশিদ ভূঁইয়া বলেছিলেন, দলের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, পুরো ব্যাপারটাকেই আমি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একধাপ এগিয়ে যাওয়া হিসেবেই দেখছি। তিনি আরও বলেছিলেন, লিবারেলের হয়ে ল্যাকেম্বা আসনে জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী। আমি বাংলাদেশী ভাইবোনদের কাছে ভোট প্রত্যাশী।
কিন্তু বাংলাদেশী কমিউনিটির স্থানীয়রা জানান, তিনি আমাদের কাছে এসে ব্যক্তিগতভাবে ভোটের জন্য কিংবা তাকে জয়ী করতে কোনরূপ অনুরোধ করেননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অন্য একজন আমাদের জানান, ভোটের আগে ভূঁইয়া সাহেব এবং তার টীমের জন সংযোগ ছিল অত্যন্ত দুর্বল।
সিডনি থেকে প্রকাশিত অনলাইন ও পেপার পত্রিকাগুলির সাথেও রশিদ ভূঁইয়া তার নির্বাচনী ইশতেহার ও আনুসাঙ্গিক বিষয়সমূহ নিয়ে কোন মত বিনিময় করেননি।
সবকিছু মিলিয়ে বলা যায়, এখানেই সব কিছু শেষ হয়ে যায়নি। সামনের নির্বাচনগুলোতে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আর পাশাপাশি সফলতাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। যে কোন পরাজয়ের শেষেই থাকে বিজয়ের পতাকা।