নাইম আবদুল্লাহ: গত ৩১ মে (রবিবার) LUSOM “আমাদের আমরণ লড়াই ক্যান্সারের বিরুদ্ধেআর মানবতার সাহায্যার্থে”-এই শ্লোগান নিয়ে সপ্তমবারের মতো সিডনির ক্যাম্পবেলটাউন বাংলা স্কুলক্যাম্পাসে সকালের নাস্তার আয়োজন করে। শীতের সকালে যারা শীতের পিঠা ভালবাসেন, সকালেরনরম রোদে ধূমায়িত চায়ের কাপ হাতে করে বন্ধুদেরসাথে আড্ডা মারতে পছন্দ করেন, প্রিয়জনকে পাশেনিয়ে প্রিয় সব গান শুনতে ভালবাসেন পাশাপাশি এইপৃথিবীকে “To make it a better place for you and for me and for the entire human race” তাদেরকেঘিরে আয়োজিত হয়েছিলো এই প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানটি।সকাল দশটা থেকেই অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ অংশগ্রহণকারী আরক্রেতা দর্শকদের কোলাহলে মুখরিত হয়ে ওঠে।স্টলগুলোতে নানা ধরনের মুখরোচক আর সুস্বাদু পিঠার মধ্যে ছিল ভাপা, চিতই, পাটি সাফটা এবং রঙ বে রঙের পুলি। আরও ছিল পরাটা, মাংস, ভাজি, লাবরা, কাবাবও বিভিন্নপদের মিষ্টির ছিল বিশাল সমাহার। এই মেলাথেকে বিক্রিত সমুদয় অর্থ ক্যান্সার কাউন্সিলে প্রদান করাহয়। সংস্থার অন্যতম সংগঠক মিসেস রোকেয়া আহমেদ জানান, LUSOM মানে Let Us Shape Our Money। আমদের এই ফান্ড শেপিং এর মধ্যেসেভিংস, ইনভেস্টমেন্ট এবং চ্যারিটি অন্তর্ভুক্ত। আর এই কষ্টার্জিত আয়কে নিজেদের এবং অন্যের কল্যাণেব্যয় করা। তাই LUSOM এর সব মহিলা সদস্যরাঅপচয়কে কমিয়ে সংসারের ব্যয়ভার থেকে প্রতিমাসেকিছু সঞ্চয় করে সেই সম্মিলিত অর্থ প্রবৃদ্ধিমূলক প্রকল্পেবিনিয়োগ করে। পাশাপাশি যতদূর সম্ভবজনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মানবতারসেবা করে থাকে। সোজা কথায় LUSOM এর পলিসিহলো “Live and Let others live”। তিনি আরও বলেন, এই পলিসি থেকেই LUSOM গতছয় বছরে বিভিন্ন চ্যারিটি ও ফান্ডরেইজিং কাজে অংশনিয়েছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো Australian Biggest Morning Tea এর আয়োজন, ক্যাম্পবেলটাউন বাংলা স্কুলের ফান্ডরেইজিং এ সহায়তা করাএবং অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মিন্টুমসজিদ প্রকল্পে অনুদান। অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির শিল্পীরা […]
নাইম আবদুল্লাহ: গত ৩১ মে (রবিবার) LUSOM “আমাদের আমরণ লড়াই ক্যান্সারের বিরুদ্ধেআর মানবতার সাহায্যার্থে”-এই শ্লোগান নিয়ে সপ্তমবারের মতো সিডনির ক্যাম্পবেলটাউন বাংলা স্কুলক্যাম্পাসে সকালের নাস্তার আয়োজন করে।
শীতের সকালে যারা শীতের পিঠা ভালবাসেন, সকালেরনরম রোদে ধূমায়িত চায়ের কাপ হাতে করে বন্ধুদেরসাথে আড্ডা মারতে পছন্দ করেন, প্রিয়জনকে পাশেনিয়ে প্রিয় সব গান শুনতে ভালবাসেন পাশাপাশি এইপৃথিবীকে “To make it a better place for you and for me and for the entire human race” তাদেরকেঘিরে আয়োজিত হয়েছিলো এই প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানটি।সকাল দশটা থেকেই অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ অংশগ্রহণকারী আরক্রেতা দর্শকদের কোলাহলে মুখরিত হয়ে ওঠে।স্টলগুলোতে নানা ধরনের মুখরোচক আর সুস্বাদু পিঠার মধ্যে ছিল ভাপা, চিতই, পাটি সাফটা এবং রঙ বে রঙের পুলি। আরও ছিল পরাটা, মাংস, ভাজি, লাবরা, কাবাবও বিভিন্নপদের মিষ্টির ছিল বিশাল সমাহার। এই মেলাথেকে বিক্রিত সমুদয় অর্থ ক্যান্সার কাউন্সিলে প্রদান করাহয়।
সংস্থার অন্যতম সংগঠক মিসেস রোকেয়া আহমেদ জানান, LUSOM মানে Let Us Shape Our Money। আমদের এই ফান্ড শেপিং এর মধ্যেসেভিংস, ইনভেস্টমেন্ট এবং চ্যারিটি অন্তর্ভুক্ত। আর এই কষ্টার্জিত আয়কে নিজেদের এবং অন্যের কল্যাণেব্যয় করা। তাই LUSOM এর সব মহিলা সদস্যরাঅপচয়কে কমিয়ে সংসারের ব্যয়ভার থেকে প্রতিমাসেকিছু সঞ্চয় করে সেই সম্মিলিত অর্থ প্রবৃদ্ধিমূলক প্রকল্পেবিনিয়োগ করে। পাশাপাশি যতদূর সম্ভবজনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মানবতারসেবা করে থাকে। সোজা কথায় LUSOM এর পলিসিহলো “Live and Let others live”।
তিনি আরও বলেন, এই পলিসি থেকেই LUSOM গতছয় বছরে বিভিন্ন চ্যারিটি ও ফান্ডরেইজিং কাজে অংশনিয়েছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো Australian Biggest Morning Tea এর আয়োজন, ক্যাম্পবেলটাউন বাংলা স্কুলের ফান্ডরেইজিং এ সহায়তা করাএবং অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মিন্টুমসজিদ প্রকল্পে অনুদান।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির শিল্পীরা দেশাত্মবোধক ও আধুনিক গান পরিবেশন করেন। স্থানীয় এমপি লরি ফারগুসনসহ বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্টজন ও নেতৃবৃন্দসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদ