গত ৩রা ডিসেম্বরের সিডনীর রকডেলের কস্তুরী রেস্টুরেন্ট এন্ড ফাংশন সেন্টারে এ্যাডুকেশন এন্ড মাইগ্রেশন এজেন্সী “স্টাডিনেট” এক ইনফরমেশন সেশন’-র আয়োজন করেছিল। সিডনিতে অনুষ্ঠিত এই ইনফরমেশন সেশনের সভাপতিত্ব করেন, স্টাডিনেট এর কর্ণধার এম হোসাইন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জীবনমানোন্নয়নে সঠিক গাইডলাইন দেয়ার কাজ করছে তার প্রতিষ্ঠান। এখন থেকে প্রতিবছরই এ ধরণের […]

গত ৩রা ডিসেম্বরের সিডনীর রকডেলের কস্তুরী রেস্টুরেন্ট এন্ড ফাংশন সেন্টারে এ্যাডুকেশন এন্ড মাইগ্রেশন এজেন্সী “স্টাডিনেট” এক ইনফরমেশন সেশন’-র আয়োজন করেছিল। সিডনিতে অনুষ্ঠিত এই ইনফরমেশন সেশনের সভাপতিত্ব করেন, স্টাডিনেট এর কর্ণধার এম হোসাইন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জীবনমানোন্নয়নে সঠিক গাইডলাইন দেয়ার কাজ করছে তার প্রতিষ্ঠান। এখন থেকে প্রতিবছরই এ ধরণের তথ্য সভার আয়োজন করার কথাও জানান, এম হোসাইন।
উচ্চ শিক্ষার পাশাপাশি স্থায়ী অভিবাসী (পার্মান্যান্ট রেজিডান্ট) হওয়ার আশায়, প্রতিবছরই স্বপ্নের দেশ অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান বহু শিক্ষার্থী। কিন্তু প্রয়োজনীয় তথ্যজ্ঞান বা দিকনির্দেশনার অভাবে, তাদের অনেককেই পড়তে হয় দীর্ঘমেয়াদী অভিবাসন জটিলতায়। অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন প্রত্যাশী বাংলাদেশীদের জন্য এবারই প্রথম এ ধরণের ‘ইনফরমেশন সেশন’-র আয়োজন করেছিল, এ্যাডুকেশন এন্ড মাইগ্রেশন এজেন্সী ‘স্টাডিনেট’। তথ্য সভায়, ছাত্রভিসা, অভিবাসন, প্রোফেশনাল ইয়ার এবং পিটিই নিয়ে আলোচনা করেন, দক্ষ ব্যক্তিরা।

এ সেশনে উচ্চ শিক্ষা ও অভিবাসন নিয়ে কথা বলেন, মাইগ্রেশন এজেন্ট জেসি ওয়েন ওয়াং। ছাত্র ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী অভিবাসী হতে হলে, শুরুতেই কোর্স নির্বাচনে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিলেন তিনি। বললেন, কোর্স নির্বাচনে অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন ওয়েবে দেয়া এসওএল (স্কিলড অকিউপেশনাল লিস্ট) এর সহায়তা নিতে। এতে, পড়াশোনা শেষে স্থায়ী অভিবাসী হওয়ার প্রক্রিয়া সহজ হয় বলে মন্তব্য করেন জেসি ওয়েন। আর যারা, নন এসওএল অর্থাৎ স্কিলড লিস্টে নেই এমন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন, ২০১৩ সালের আইননুযায়ী তাদের জন্য আছে দু’ বছরের ফুল টাইম কাজ করার ভিসা, যা কিনা পিএসডাব্লিউ (পোস্ট স্টাডি ওয়ার্ক ভিসা) নামে পরিচিত।
পারফরম্যান্স এডুকেশন এর হয়ে কাজ করেন স্টিভেন নিগুয়েন। তথ্য সভায় তিনি কথা বলেন, প্রোফেশনাল ইয়ার নিয়ে। জানান, একাউন্টিং, আইটি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের শিক্ষার্থীরা, স্মাতক পাশ করে ‘প্রোফেশনাল ইয়ার’ করে, মাইগ্রেশনের জন্য অর্জন করতে পারেন অতিরিক্ত পাঁচ পয়েন্ট। যা কিনা ‘ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন এন্ড বর্ডার প্রোটেকশন’ অনুমোদিত।
অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে আসতে চাইলে বা অভিবাসী হতে হলে, আবেদনকারীকে বসতে হবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইংরেজী দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায়। এক্ষেত্রে আইইএলটিএস খুবই জনপ্রিয়। তবে আইইএলটিএস এর পাশাপাশি পিটিই পরীক্ষাও দিতে পারেন যে কেউ। বর্তমানে পিটিই অনেক বেশী গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে বলে জানান, সিডনি পিটিই স্টাডি সেন্টারের কর্ণধার মোহাম্মদ ইমতিয়াজ রহমান।
অস্ট্রেলিয়ায় ছাত্র ভিসা এবং অভিবাসন নিয়ে, ২০০৮ সাল থেকে কাজ করে আসছে ‘স্টাডিনেট’। অস্ট্রেলিয়ার প্রধান শহরগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ব্রুনাই, চায়নাসহ বিশ্বের আরো কয়েকটি দেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে ‘স্টাডিনেট’।
অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথীদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।