আজ রবিবার বাবা দিবস। পৃথিবীর সব সন্তানরা আজ নিজেদের মত ভালবাসবে তাদের বাবাকে। তবে সব বাবার ভাগ্যে আজ জুটবে না ভালোবাসার চুমু। তাদের কেউ কেউ প্রবীণ নিবাসে হয়তো সন্তানের কথা ভেবে শুধু চোখের পানিই ফেলবেন। একই ভাবে পানি ঝরবে বাবা হারানো সন্তানের চোখে থেকেও। বাবা দিবস’ পালন শুরু হয় গত শতাব্দীর প্রথমদিকে। পৃথিবীর সব বাবাদের […]
আজ রবিবার বাবা দিবস। পৃথিবীর সব সন্তানরা আজ নিজেদের মত ভালবাসবে তাদের বাবাকে। তবে সব বাবার ভাগ্যে আজ জুটবে না ভালোবাসার চুমু। তাদের কেউ কেউ প্রবীণ নিবাসে হয়তো সন্তানের কথা ভেবে শুধু চোখের পানিই ফেলবেন। একই ভাবে পানি ঝরবে বাবা হারানো সন্তানের চোখে থেকেও।
বাবা দিবস’ পালন শুরু হয় গত শতাব্দীর প্রথমদিকে। পৃথিবীর সব বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের ইচ্ছা থেকে যার শুরু। ধারণা করা হয়, ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই প্রথম ‘বাবা দিবস’ পালিত হয়। আমেরিকার পশ্চিম ভার্জেনিয়ার ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় প্রথম এই দিনটি পালিত হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাবাকে ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হলেও ভালোবাসার আবেদনে কিন্তু একটুও ভিন্নতা দেখা যায় না। জার্মান ভাষায় বাবা শব্দটি হচ্ছে “ফ্যাট্যা” আর ড্যানিশ ভাষায় “ফার”। আফ্রিকান ভাষায় ‘ভাদের’ হচ্ছেন বাবা। চীনারা আবার বাঙালির ‘বাবা’ কে কেটে ছোটো করে ‘বা’ বানিয়ে নিয়েছেন। কানাডিয়ান ভাষায় বাবা হচ্ছেন ‘পাপা’ তেমনি ক্রোয়েশিয়ান এ ‘ওটেক’। ব্রাজিলিয়ান পর্তুগিজ ভাষায় বাবা ডাক হচ্ছে ‘পাই’। ডাচ ভাষায় পাপা, ভাডের আর পাপাই এই তিনটি হচ্ছে বাবা ডাক। সবচাইতে বেশী প্রতিশব্দ ইংরেজি ভাষাতেই! ইংরেজরা বাবাকে ফাদার, ড্যাড, ড্যাডি, পাপা বলে ডাকেন। ফিলিপিনো ভাষাও কম যায় না, এই ভাষায় বাবা হচ্ছেন তাতেই, ইতেই, তেয় আর আমা। হিব্রু ভাষায় বাবা হচ্ছে ’আব্বাহ্’। হিন্দি ভাষার বাবা ডাকটি হলো পিতাজী! আবার ইন্দোনেশিয়ান ভাষায় বাপা কিংবা আইয়্যাহ! জাপানিরা তাদের ভাষায় বাবাকে ডাকেন- ওতোসান, পাপা। পুর্ব আফ্রিকায় অবশ্য বাবাকে ‘বাবা’ বলেই ডাকে।হাঙ্গেরিয়ান ভাষায় পাপা ছাড়াও বাবা শব্দের অনেকগুলো প্রতিশব্দ আছে, যেমন- আপা, আপু, এদেসাপা।
বিশ্বের প্রায় ৫২ দেশে এ দিবসটি পালিত হয়। পিতার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা প্রকাশের জন্য দিনটি বিশেষভাবে উৎসর্গ করা হয়ে থাকে।