বৈশাখী মেলা নববর্ষের সর্বজনীন অনুষ্ঠানগুলোর অন্যতম। নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখ মাসে দেশের শহর ও গ্রামের বিভিন্ন স্থানে এ মেলা বসে। এ মেলা চলার নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। এক দিন থেকে শুরু করে মাসব্যাপী এ মেলা চলতে থাকে। নতুন বছরে মানুষের আনন্দ-অনুভূতির প্রকাশ ঘটে বৈশাখী মেলার মাধ্যমে। বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা আকাশের নিচে বসে। তেমনি এবারও সিডনির […]
বৈশাখী মেলা নববর্ষের সর্বজনীন অনুষ্ঠানগুলোর অন্যতম। নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখ মাসে দেশের শহর ও গ্রামের বিভিন্ন স্থানে এ মেলা বসে। এ মেলা চলার নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। এক দিন থেকে শুরু করে মাসব্যাপী এ মেলা চলতে থাকে। নতুন বছরে মানুষের আনন্দ-অনুভূতির প্রকাশ ঘটে বৈশাখী মেলার মাধ্যমে।
বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা আকাশের নিচে বসে। তেমনি এবারও সিডনির ফেয়ারফিল্ড প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এ মেলা বসেছে। সিডনির মিথফিল্ডস রোডের ফেয়ারফিল্ড শো-গ্রাউন্ডে এ উৎসব পালন করা হয় সকাল ১০:০০টা থেকে রাত ১০:০০টা পর্যন্ত।
মেলা কমিটির আহ্বায়ক গাউসুল আলম শাহাজাদা নবধারা নিউজকে জানান, এই মেলাকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করে প্রতি বৎসরগুলির মত। এ মেলাতে সিডনি ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।
মেলার আয়োজক বঙ্গবন্ধু পরিষদ সিডনি শাখার সাধারণ সম্পাদক গাউসুল আলম আরও বলেন, ‘ অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে উঠা নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতির ধারণা দেওয়ার জন্য মেলার অনুষ্ঠানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। মেলার দিনটি সাপ্তহিক ছুটি হওয়ায় প্রচুর প্রবাসী বাংলাদেশিরা এতে অংশ নেন।
দীর্ঘ প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে টেম্পিপার্কে এই বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। তবে দীর্ঘদিনের স্থান সংকুলানের সমস্যার কারণে ফেয়ারফিল্ড শো-গ্রাউন্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে এই বৈশাখী মেলা দুই বৎসর যাবৎ।
মেলায় দিনব্যাপী নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও দ্যা লুকের ‘ফ্যাশন শো’ আয়োজন ছিল। স্হানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে আগত জনপ্রিয় সংগীতশ্ল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ ও হাবিব ওয়াহিদ গান পরিবেশন করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন সঞ্জয়।
মেলাতে খাবারের ও কাপড়ের স্টল ছিল অন্যান্য বারের মত। সবশেষে জমকালো আতশবাজির আয়োজন ছিল চমকপ্রদ।
সিডনি, অষ্ট্রেলিয়া