অস্ট্রেলিয়ার ৪৬তম ফেডারেল নির্বাচনে জয়ে পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন লিবারেল ও ন্যাশনাল পার্টি জোট। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো জয় পেলো এই জোট। গত শনিবার ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচন সন্পন্ন হল। দেশটিতে ১৫১টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। সরকার গঠন করতে একটি দলের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৭৬টি আসন। টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করার সুযোগ […]
অস্ট্রেলিয়ার ৪৬তম ফেডারেল নির্বাচনে জয়ে পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন লিবারেল ও ন্যাশনাল পার্টি জোট। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো জয় পেলো এই জোট। গত শনিবার ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচন সন্পন্ন হল। দেশটিতে ১৫১টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। সরকার গঠন করতে একটি দলের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৭৬টি আসন।
টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করার সুযোগ দেওয়ায় ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজয়ী জোট নেতা প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। তিনি সমর্থক এবং ভোটারদের বলেছেন, অলৌকিক কাজগুলো সবসময় বিশ্বাস করি। আংশিক ফলাফলেই আমাদের জোট জয় পেয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এটা অলৌকিক। এর অবদান ভোটারদের।
পরাজয় মেনে নিয়ে লেবার পার্টির প্রধান বিল শর্টেন লিবারেল পার্টি ও স্কট মরিসনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির কথা জানিয়ে এক বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘আমি সংসদে থাকব, তবে হয়তো দলের নেতৃত্বে নয়।
দেশটির ৭ হাজার ভোট কেন্দ্রে আজ প্রায় দেড় কোটি ভোটার ভোট দেন। নির্বাচনের আগে প্রি-ভোট দেন প্রায় ৪৭ লাখ ভোটার। এই প্রথমবারের মতো নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন স্কট মরিসন। গত বছর দলীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছিলেন তিনি। দলের সিনিয়র নেতাদের সমর্থন হারিয়ে পদত্যাগের চাপে পড়া ম্যালকম টার্নবুলকে হটিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া মরিসন টার্নবুলের বিশ্বস্ত সহকর্মী কোষাধ্যক্ষ ছিলেন।
স্কট মরিসনের নির্বাচনী এলাকা নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের কুক থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। একই দৃশ্য দেখা গেছে বিরোধী দলের প্রধান বিল শর্টেনের নির্বাচনী এলাকাতেও। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবটের ভাগ্যে জয় আসেনি। তাঁর আসন থেকে প্রায় ১৭ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলি স্ট্যাগাল।