মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিডনির ল্যাকান্বাতে শত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত করেছে এলাকাবসীরা। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৬ টায় প্রায় শত লোক নিয়ে এই সঙ্গীত শুরু হয়। দেশপ্রেম ধারণ করে সিডনি প্রবাসী বাংলাদেশী ডব্লিউ রুবেল এ আয়োজন করেন। সিডনির ল্যাকান্বাবাসী শুনল বাঙালির প্রাণের সুর ও হৃদয়ের গভীরতম অনুভূতির সেই কথাগুলো। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ৩ মার্চ তারিখে […]
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিডনির ল্যাকান্বাতে শত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত করেছে এলাকাবসীরা। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৬ টায় প্রায় শত লোক নিয়ে এই সঙ্গীত শুরু হয়।
দেশপ্রেম ধারণ করে সিডনি প্রবাসী বাংলাদেশী ডব্লিউ রুবেল এ আয়োজন করেন। সিডনির ল্যাকান্বাবাসী শুনল বাঙালির প্রাণের সুর ও হৃদয়ের গভীরতম অনুভূতির সেই কথাগুলো।
১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ৩ মার্চ তারিখে পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভা শেষে ঘোষিত ইশতেহারে এই গানকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে এই গান প্রথম জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৬ মার্চ, ঢাকা জাতীয় প্যারেড ময়দান একসঙ্গে ২৫৪,৫৩৭ জন জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ায় মাধ্যমে গিনেস বিশ্ব রেকর্ড করে।
প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হয়ে জাতীয় সংগীত গেয়েছেন।
জাতীয় সঙ্গীত:
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি॥
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়, হায় রে—
ও মা, অঘ্রাণে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি॥
কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো—
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়, হায় রে—
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি॥