অস্ট্রেলিয়াতে এই রোববার ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ডে লাইট সেভিংস টাইম। আর তাই রোববার প্রথম প্রহরের দুই ঘণ্টা পর অর্থাৎ শনিবার শেষে রাতে দুইটার সময় ঘড়ির কাঁটাকে একঘণ্টা এগিয়ে তিনের ঘরে স্থাপন করতে হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে চার ঘণ্টার পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার সময়ের সঙ্গে ব্যবধান হবে পাঁচ ঘণ্টা। ‘ডে লাইট সেভিং’ নামে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে […]
অস্ট্রেলিয়াতে এই রোববার ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ডে লাইট সেভিংস টাইম। আর তাই রোববার প্রথম প্রহরের দুই ঘণ্টা পর অর্থাৎ শনিবার শেষে রাতে দুইটার সময় ঘড়ির কাঁটাকে একঘণ্টা এগিয়ে তিনের ঘরে স্থাপন করতে হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে চার ঘণ্টার পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার সময়ের সঙ্গে ব্যবধান হবে পাঁচ ঘণ্টা।
‘ডে লাইট সেভিং’ নামে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে বা পিছিয়ে নেওয়া বিশ্বের ঐতিহ্য। তৎকালীন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন প্রথম ‘ডে লাইট সেভিং’ এর জনক হলেও এর ব্যবহারিক প্রয়োগ শুরু করে ব্রিটিশরা (উইলিয়াম উইলেটের সময় থেকে)। বর্তমানে বিশ্বের ৭০টি দেশে পুরো না হলেও আংশিকভাবে এটি চালু আছে।
ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়া, পিছিয়ে নেওয়ার ঝক্কি পোহাতে হয় অস্ট্রেলিয়ার লোকজনকে বছরে দুইবার।
প্রযুক্তিময় বর্তমান বাস্তবতায় ঘড়ি, টেলিভিশন, ফোনসহ অনেক কিছুরই সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যায়।