সিডনির স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে প্রেস কনফারেন্স করেছেন অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি। এই সভা অনুষ্ঠিত হয় গত ১৩ই মে সন্ধ্যা ৬:০০ টায় সিডনির রেড রোজ ফাংশন সেন্টারে। অনুষ্ঠানে কার্যনির্বাহী কমিটিকে পরিচিত করে দেয়া হয় এবং সাবেক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ অর্জনগুলি তুলে ধরা হয় সাবেক কমিটির কাজগুলোকে আরো সামনে নিয়ে যেতে নতুন কমিটি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। […]
সিডনির স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে প্রেস কনফারেন্স করেছেন অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি। এই সভা অনুষ্ঠিত হয় গত ১৩ই মে সন্ধ্যা ৬:০০ টায় সিডনির রেড রোজ ফাংশন সেন্টারে।
অনুষ্ঠানে কার্যনির্বাহী কমিটিকে পরিচিত করে দেয়া হয় এবং সাবেক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ অর্জনগুলি তুলে ধরা হয় সাবেক কমিটির কাজগুলোকে আরো সামনে নিয়ে যেতে নতুন কমিটি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নবনির্বাচিত কমিটি সংগঠনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে তাদের কর্ম পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রথমে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি একটি লিখিত বক্তব্য দেন। তারপরে তিনি সাংবাদিকদের সরাসরি প্রশ্ন নেন।
সাবেক কমিটির অর্জন
সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে সাবেক কমিটি উদ্দোগী ছিল এবং সদস্যদের সুবিধা বাড়ানোর জন্য নানারকম কার্যক্রম গ্রহণ করে যেগুলো সংগঠনকে গতিশীল করে। সাবেক কমিটির মূল কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম ছিল ২০১৬ সালের বিসনেস এওয়ার্ড, বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের সরকারী কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা, অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মহামান্য হাই কমিশনার ও ডিফ্যাট (ডিএফএটি) কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা, বাংলাদেশকে ভবিষ্যৎ ব্যাবসার গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে সেমিনার, অনুপ্রেরণাদায়ী বাংলাদেশী-বংশোদ্ভূত নেতৃত্বকে সংবর্ধনা, এবং এয়ার কার্গো’র সীমাবদ্ধতা তুলে দিতে সফল তদবির।
সাম্প্রতিক কর্মকান্ড
দায়িত্ব গ্রহণের দুই সপ্তাহের মধ্যেই, কার্যনির্বাহী কমিটি তাদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত করেছে এবং স্বাভাবিক কর্মকান্ড শুরু করেছে। কার্যনির্বাহী কমিটি আলাদা আলাদা ভাবে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই), মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এমসিসিআই), রিয়াল এস্টেট এন্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এর সাথে সফল আলোচনা চালিয়েছে।

সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে, এবিবিসি এবং এফবিসিসিআই এর মধ্যে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং উভয় সংগঠনই পারস্পরিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য একমত হয়েছে। পরবর্তি বিস্তারিত আলোচনা সাপেক্ষে উভয় সংগঠনের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তির কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর সভাপতি তাদের সম্ভাব্য সর্বপ্রকার সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার কথা এবিবিসি এর সভাপতিকে নিশ্চিত করেছেন।
রিহ্যাব এর সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুন্নবী চৌধুরী, এমপি, এবিবিসি এর সভাপতি আসিফ কাওনায়েন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সরকার-এর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে একমত হয়েছেন। এবিবিসি বাংলাদেশের রিয়াল এস্টেট খাতকে উন্নত করে দেশী ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া থেকে কারিগরি সহযোগিতা এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে রিহ্যাবকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে। রিহ্যাব প্রস্তাবটিকে সাধুবাদ জানিয়ে এ বিষয়ে সাম্প্রতিক সময়ে কার্যক্রম শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

নতুন কমিটির কর্মপরিকল্পনা
পারস্পরিক নেটওয়ার্কিং, প্রয়োজনীয় তথ্য বিনিময়, ব্যাবসায়িক পরামর্শ, এবং দ্বিপাক্ষিক ব্যাবসায়িক সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে সদস্যদের সুবিধা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন দেশী ও বিদেশী চেম্বার ও ব্যাবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে জোট গঠন ও ব্যাবসায়িক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে নতুন কমিটি বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সভাকক্ষে প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন-
Chairperson Asif KAWNINE
Vice-Chairperson Nirmalya TALUKDER
Secretary Mohammed SARKER
Assistant Secretary Javed HOQUE
Treasurer Abdul HOQUE
Executive Member:
Monirul ISLAM, Kamrul ISLAM
Mohammad ZAMAN, Helal SARKAR
Rahmat ULLAH, Ashrafi MIAN,
Hossain ARJU, Mohammad HOSSAIN