আনন্দ উল্লাসের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম পুনর্মিলনীর আয়োজন করেছে শরীয়তপুরবাসী। ১৭ নভেম্বর (রবিবার) সিডনির ল্যাকাম্বা লাইবেরি হলে শরীয়তপুর জেলাবাসীর মিলনমেলা আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআরন তিলোয়াত, বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সদ্য প্রয়াত স্বপন দেওয়ানের বাবা, কেয়া নুরের মা এবং নিরুপমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানে ছোট্ট সোনামনিদের জন্য […]
আনন্দ উল্লাসের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম পুনর্মিলনীর আয়োজন করেছে শরীয়তপুরবাসী। ১৭ নভেম্বর (রবিবার) সিডনির ল্যাকাম্বা লাইবেরি হলে শরীয়তপুর জেলাবাসীর মিলনমেলা আয়োজিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআরন তিলোয়াত, বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সদ্য প্রয়াত স্বপন দেওয়ানের বাবা, কেয়া নুরের মা এবং নিরুপমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানে ছোট্ট সোনামনিদের জন্য ফেইস পেন্টিং, ফেয়ারী ডান্স, কবিতা আবৃতি্ ও লোকগীতিসহ আধুনিক গান পরিবেশিত হয়।

অনুষ্ঠানে ফারিয়া আহমেদ, রুনু রফিক, সুলতানা নুর ও সুজন মনমুগ্ধকর গান পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন মাসুম দেওয়ান, পলাশ হক, আসমা আলম ও সিরাজুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ ‘শরীয়তপুর জেলা সমিতি’র সভাপতি আনিস উদ্দিন মিয়া।

আনিস উদ্দিন মিয়া বলেন, শরীয়তপুর জেলার কৃষ্টি ও ঐতিহ্য বিশদভাবে তুলে ধরে ১৯৮৪ সালে ইতিহাস খ্যাত ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়তউল্লাহর নামে ৬টি উপজেলার সমন্বয়ে নুতন জেলা শরীয়তপুর স্থাপনের প্রেক্ষাপট ও বর্ণনা করেন।
সুদূর প্রবাস অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত শরীয়তপুর বাসীদের এক্যবদ্ধ হয়ে পারস্পরিক কল্যাণ্যে সংগঠন গড়ে তোলায় উপস্থিত শরীয়তপুর জেলাবাসীদের অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠান সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন- বেলায়েত হোসেন, মো. আলী সিকদার, নুরুল হক মিলন, মাসুম দেওয়ান, আবু বক্কর, পলাশ হক, সিরাজুল ইসলাম, শরীফ আহমেদ, স্বপন দেওয়ান, শফিক সেখ, আসমা আলমের নাম উলেখ্য যোগ্য।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধায়ন ও পরিকল্পনায় ছিলেন সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর রফিক উদ্দিন।