অলেম্পিক পার্কে বঙ্গবন্ধু কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত বৈশাখী মেলা সহ¯্র হৃদয়ের প্রীতিময় সম্মিলনে এটি শ্রেষ্ঠ মিলনমেলা। গত ২৬ এপ্রিল এই অলিম্পিক মাঠ আবারও পূর্ণ হলো আবেগময় উৎসবে, বর্ণিল প্রাণচ্ছ¡টায়, ¯^তঃস্ফূর্ত আনন্দমূখরতায় আর নিবিড় মিলনের আবহে। এবার আবহাওয়া ভাল থাকার কারণে প্রচুর জনসমাগম ঘটে মেলাতে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে প্রচুর দর্শনাথীর আগমনের ফলে মেলা মাঠে তিল […]
অলেম্পিক পার্কে বঙ্গবন্ধু কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত বৈশাখী মেলা সহ¯্র হৃদয়ের প্রীতিময় সম্মিলনে এটি শ্রেষ্ঠ মিলনমেলা। গত ২৬ এপ্রিল এই অলিম্পিক মাঠ আবারও পূর্ণ হলো আবেগময় উৎসবে, বর্ণিল প্রাণচ্ছ¡টায়, ¯^তঃস্ফূর্ত আনন্দমূখরতায় আর নিবিড় মিলনের আবহে। এবার আবহাওয়া ভাল থাকার কারণে প্রচুর জনসমাগম ঘটে মেলাতে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে প্রচুর দর্শনাথীর আগমনের ফলে মেলা মাঠে তিল ধারনের জায়গা ছিল না। বর্ণিল ফায়ারওয়াকর্সে উজ্জ্বলিত হয়ে ওঠে অলিম্পিক মাঠটি। এ আয়োজনে প্রতিবছর যুক্ত হয় নতুনতর বিষয় ও মাত্রা। আধুনিকায়নের উদ্দেশ্যে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার পরিপূরক হিসেবে যোগ করা হয়। সময়, অনুষ্ঠান, নিরাপত্তা, ব্যবস্থাপনা ও উপস্থাপনায় এ সমাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করেন আয়োজনকারী সংগঠন। উল্লেখ্য, নিয়মিত অনুষ্ঠানমালার পাশাপাশি সিডনি বৈশাখী মেলার ২২তম বর্ষপূর্তি, যা মূলতঃ এই সংগঠন আয়োজিত বৈশাখী মেলার নিরবিচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা। এবারের মেলায় লেবার ও লিবারেল পার্টির অনেক গণ্যমান্য রাজনীতিবীদগণ উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শহরের মেয়র ও কাউন্সিলরগণ। মেলার সূচনাপর্বে এ সকল ব্যক্তিবর্গ তাদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন ও বক্তৃতা প্রদান করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লে. জে. (অবঃ) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। তিনি অত্যন্ত আবেগঘনভাবে তার বিদায়ী বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানের আয়োজক বঙ্গবন্ধু কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট জনাব শামিমুল হক তার বক্তব্যে বলেন যে, এবার মেলাতে যে পরিমান দর্শক সমাগম ঘটেছে এতেকরে ভবিষ্যতে হয়ত আমদেরকে আরও বড় কোন ভেন্যুতে মেলার আয়োজন করতে হতে পারে। এবারের মেলার বিশেষ আকর্ষণ ছিল বাঙ্গালীয়ানা ধাচের ৫৫ মিনিটের একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যা সমস্ত দর্শকদেরকে আনন্দ দিয়েছে। এছাড়াও মেলাতে নানা রকম বাহারী খাবারের ও পোশাকের স্টলে ছিল উপচেপড়া ভিড়। তবে কোন কোন খাবার স্টলে ডিমান্ড বেশী থাকার ফলে খাবারের মূল্য অতিরিক্ত হারে রাখা হয়েছে, যেটির বিষয়ে অনেকেই আপত্তি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে দেশ-বিদেশ পত্রিকার সম্পাদক মেলার প্রধান আয়োজন জনাব শামিমুল হকের সাথে আলাপকালে বিষয়টির প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। জনাব শামিমুল হক ভবিষ্যতে বিয়টি দেখবেন বলে আশ্বস্থ্য করেন। মেলার সমাপনী পর্বে পরিবেশিত হয় অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। এরপর আয়োজকদের পক্ষ থেকে সংগঠনের সভাপতি শেখ শামীমুল হক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বর্ণে-বর্ণে, আলোয়-আলোয় উদ্ভাসিত হোক, আলোকিত হোক সবার জীবন বাংলা নববর্ষে – এ প্রত্যাশা নিয়ে সমাপ্ত হলো এবারের আয়োজন। সৌজন্যে : দেশ বিদেশ