অস্ট্রেলিয়ায় করোনাভাইরাসের আতঙ্কে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। এসব ঘটনায় অভিভাবকরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পর্যন্ত ভয় পাচ্ছে। এদিকে দেশটিতে নতুন বছরের প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলির ক্লাস শুরু হয়েছে বুধবার ২৯ জানুয়ারি থেকে। পিতামাতারা বাচ্চাদের মধ্যে করোনাভাইরাসের বিস্তার বন্ধে সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে। আমরা আমাদের বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি নিতে পারি না। সব কিছু ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আরও দুই […]
অস্ট্রেলিয়ায় করোনাভাইরাসের আতঙ্কে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। এসব ঘটনায় অভিভাবকরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পর্যন্ত ভয় পাচ্ছে। এদিকে দেশটিতে নতুন বছরের প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলির ক্লাস শুরু হয়েছে বুধবার ২৯ জানুয়ারি থেকে।
পিতামাতারা বাচ্চাদের মধ্যে করোনাভাইরাসের বিস্তার বন্ধে সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে। আমরা আমাদের বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি নিতে পারি না। সব কিছু ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহের জন্য স্কুল স্থগিত রাখার জন্য সরকারের কাছে পিটিশন জমাও দিয়েছিলেন।
তবে এত অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো কাজ হয়নি বলে অভিবাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, সরকার বুশফায়ার বা দাবানল বন্ধে যেমন খুব বেশি যত্নশীল ছিলেন না; তেমনি করোনাভাইরাসের ব্যাপারেও যত্নশীল নন।
অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত সদ্য চীন ভ্রমণ করে যে সকল ছাত্ররা দেশটিতে এসে পৌঁছেছে শুধু তাদের দুই সপ্তাহ স্কুলে ক্লাস বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে।
অস্ট্রেলিয়ায় এ পর্যন্ত সাতজন ব্যক্তির সংক্রমিত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। তারমধ্যে ১ জন কুইন্সল্যান্ডে, ২ জন ভিক্টোরিয়া ও ৪ জন নিউ সাউথ ওয়েলসে আক্রান্ত হয়েছে। করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরির কাজে অস্ট্রেলিয়ার গবেষকরা কাজ করছে।
চীনে করোনাভাইরাস মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে বাড়তে তা পৌঁছেছে ১৭০ এ। দেশজুড়ে ভাইরাসে ৭ হাজার ৮৯৪ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এখনও পর্যন্ত চীনে অবস্থানরত কোনো বাংলাদেশি আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।