বাবা এবং কন্যার সম্পর্ক, পৃথিবীর পবিত্রতম বন্ধনগুলোর একটা। তবে কন্যার পিতা হিসেবে আনন্দিত হওয়াই নয়, মেয়ের বাবা হওয়ার রয়েছে আরও একটা বাড়তি সুবিধা। যেসব পুরুষের কন্যাসন্তান থাকে, তাঁদের দীর্ঘায়ু হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি। এমনই দাবি করছে পোল্যান্ডের জাগিলোয়িনায়ন বিশ্ববিদ্যালয়। সন্তানের জন্মের সময় সাধারণত মায়েদের শারীরিক অবস্থার নানা দিক নিয়েই আলোচনা হয়। কিন্তু ওই সময়ে পুরুষদের স্বাস্থ্যে […]
বাবা এবং কন্যার সম্পর্ক, পৃথিবীর পবিত্রতম বন্ধনগুলোর একটা। তবে কন্যার পিতা হিসেবে আনন্দিত হওয়াই নয়, মেয়ের বাবা হওয়ার রয়েছে আরও একটা বাড়তি সুবিধা। যেসব পুরুষের কন্যাসন্তান থাকে, তাঁদের দীর্ঘায়ু হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি। এমনই দাবি করছে পোল্যান্ডের জাগিলোয়িনায়ন বিশ্ববিদ্যালয়।
সন্তানের জন্মের সময় সাধারণত মায়েদের শারীরিক অবস্থার নানা দিক নিয়েই আলোচনা হয়। কিন্তু ওই সময়ে পুরুষদের স্বাস্থ্যে কি কোনও প্রভাবই পড়ে না? সেটা খতিয়ে দেখতেই জাগিলোয়িনায়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে একটি গবেষণা চালানো হয়েছিল ১৪ বছর ধরে। ৪১৩০জন মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন এই গবেষণায়।
তাতে দেখে গিযেছে। পুত্রসন্তানের জন্মের ফলে পিতার স্বাস্থ্যের ওপরে কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না বললেই চলে। কিন্তু, কন্যাসন্তানের জন্মের পরে অন্তত ৭৪ সপ্তাহ ধরে পিতার স্বাস্থ্য কোনও না কোনও ভাবে প্রভাবিত হয়। মার্কিন মুলুকের ‘আমেরিকান জার্নাল অফ হিউম্যান বায়োলজি’–তেও প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণাপত্রটি। সেখানে এটাও বলা হয়েছে, মায়ের শরীরের ওপরে পুত্র কিংবা কন্যা— দুই ধরনের সন্তানের জন্মেরই প্রবল ধকল পড়ে।
কেন শুধু পিতার আয়ুই বেড়ে যায় কন্যাসন্তানের জন্মের কারণে? গবেষকরা জানাচ্ছেন, সাধারণভাবে সব পুরুষই মানসিকভাবে জীবনে একবার অন্তত একটি কন্যান্তানের পিতা হতে চান। কন্যার বেড়ে ওঠা, তাকে আঁকড়ে ধরে বাঁচা পুরুষদের অবসাদ কমিয়ে দেয়। শরীরে ‘হ্যাপি হরমোন’ নিঃসরণে সাহায্য করে।
এতে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে এবং স্নায়ুতন্ত্রও চনমনে থাকে। একই ঘটনা মায়েদের পুত্রসন্তান লাভের ক্ষেত্রে হয় কি? গবেষকদের মতে, সব সময়ে না হলেও কিছুক্ষেত্রে হয়। তবে শতকরা হিসেবে পুত্রসন্তানের জন্মের কারণে মায়েদের আয়ু বাড়ার ঘটনা নিতান্তই নগণ্য।
বাবা এবং কন্যার সম্পর্ক, পৃথিবীর পবিত্রতম বন্ধনগুলোর একটা। তবে কন্যার পিতা হিসেবে আনন্দিত হওয়াই নয়, মেয়ের বাবা হওয়ার রয়েছে আরও একটা বাড়তি সুবিধা। যেসব পুরুষের কন্যাসন্তান থাকে, তাঁদের দীর্ঘায়ু হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি। এমনই দাবি করছে পোল্যান্ডের জাগিলোয়িনায়ন বিশ্ববিদ্যালয়।