শুক্রবার জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সেই ভাষনে তিনি কাশ্মীর ইস্যুটি বিশ্ব নেতাদের সামনে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে ভারত সরকারের নির্মম অত্যাচারের বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে ইমরান খান বলেন, গত ৫২ দিন ধরে ৮০ লাখ কাশ্মীরিকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। ৯ লাখের বেশি সেনা মোতায়েন করে সেখানকার […]
শুক্রবার জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সেই ভাষনে তিনি কাশ্মীর ইস্যুটি বিশ্ব নেতাদের সামনে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন।
অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে ভারত সরকারের নির্মম অত্যাচারের বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে ইমরান খান বলেন, গত ৫২ দিন ধরে ৮০ লাখ কাশ্মীরিকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। ৯ লাখের বেশি সেনা মোতায়েন করে সেখানকার নাগরিকদের সঙ্গে পশুসুলভ আচরণ করছে আরএসএস মতাদর্শী মোদি সরকার।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের এই ভাষনের ভূয়সী প্রশংসা করে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।
তিনি লিখেছেন, ‘জাতিসংঘে ইমরানের অবিস্মরণীয় ভাষণ শুনলাম। শুনে অভিভূত হলাম। কেবলমাত্র প্রখর আত্মসম্মানবোধ, নিখাদ দেশপ্রেম আর সৎসাহস থাকলেই এমন বক্তব্য দেয়া সম্ভব।
আমাদের নেতাদের মধ্যে এসবের অভাব আছে। না হলে ইমরানের মতো বুকের পাটা আমাদের নেই কেন? রোহিঙ্গা, কাটাতারের বেড়া, সীমান্তে হত্যা, পশ্চিমাদের অফ-শোর ব্যাংক, আর ইসলাম ফোবিয়ার রাজনীতি নিয়ে আমরা কেন কথা বলতে পারি না?
ইমরান তার ভাষণে শুধু মোদি, আর পশ্চিমাদের না, তথাকথিত মুসলিম নেতাদের মুখোশও উন্মোচন করেছেন। জানিনা এতো সত্য কথা বলে কতোদিন টিকে থাকতে পারবেন তিনি। কিন্তু যা বলেছেন আপাতত তা যথেষ্ট। ধন্যবাদ ইমরান খান!’
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের ওই অধিবেশনে ইমরান খানের বক্তব্যের পর শুক্রবার রাতে শ্রীনগরজুড়ে বিক্ষোভ হয়েছে। ইমরান খানের ওই ভাষণের পর রাতেই কাশ্মীরের স্বাধীনতার ডাক দিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আসেন শত শত কাশ্মীরি। এসময় তারা ইমরান খানের পক্ষে শ্লোগান দেয়।
সূত্র: দশ দিগন্ত