অনেক স্বপ্ন নিয়ে জুনিয়র নার্স হিসেবে মুম্বাইয়ের কেইএম হাসপাতালে যোগ দিয়েছিলেন অরুণা সানবওগ। যোগদানের পরপরই হাসপাতালের এক কর্মীর হাতে ধর্ষণের শিকার হন তিনি। এরপরই ঐ হাসপাতালে ৪২ বছর কোমায় থেকে চিরবিদায় নিলেন এই নারী। গত সপ্তাহে চিকিৎসকরা জানান, অরুণাদেবী ফুসফুসের প্রদাহে ভুগছিলেন। ভেন্টিলেটরের সাহায্যে তাকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। […]

অনেক স্বপ্ন নিয়ে জুনিয়র নার্স হিসেবে মুম্বাইয়ের কেইএম হাসপাতালে যোগ দিয়েছিলেন অরুণা সানবওগ। যোগদানের পরপরই হাসপাতালের এক কর্মীর হাতে ধর্ষণের শিকার হন তিনি। এরপরই ঐ হাসপাতালে ৪২ বছর কোমায় থেকে চিরবিদায় নিলেন এই নারী।
গত সপ্তাহে চিকিৎসকরা জানান, অরুণাদেবী ফুসফুসের প্রদাহে ভুগছিলেন। ভেন্টিলেটরের সাহায্যে তাকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতদিন হাসপাতালের নার্সরাই অরুণাদেবীর সেবাযত্ন করেছেন। তারা অরুণাদেবীর যন্ত্রণাহীনভাবে মৃত্যু ঘটানোর দাবিরও বিরোধিতা করেছিলেন।
১৯৭৩ সালে ২৬ বছর বয়সে জুনিয়র নার্স হিসেবে মুম্বাইয়ের কিং এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল হাসপাতালে যোগ দান করেন অরুণা। যোগদানের কিছুদিন পর ১৯৭৩ সালের ২৭ নভেম্বর রাতে ঐ হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী সোহনলাল ভারতা বাল্মিকী ধর্ষণ করেন অরুণাকে। শুধু তাই নয়, কুকুরের চেন দিয়ে অরুণাদেবীকে বেঁধেও রেখেছিল শোহনলাল। ১১ ঘণ্টা সেখানেই পড়ে ছিলেন অরুণা। উদ্ধারের সময়ও অরুণার গলায় শেকল বাঁধা ছিল। এতে তাঁর মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন অরুণা।