দেশে দেশে যুদ্ধ এবং রাজনৈতিক দমনপীড়ন থেকে বাঁচতে উন্নত জীবনের আশায় শরণার্থীরা এবছর সাগরের বিপজ্জনক পথে পাড়ি দিয়ে দলে দলে ইতালি যাচ্ছে। এদের মধ্যে একজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন ইতালির এক উপকূলরক্ষী কর্মকর্তা। বুধবার উদ্ধার পাওয়া এসব অভিবাসী কোন দেশের নাগরিক এবং তাদের মধ্যে একজন কিভাবে মারা গেল সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি […]
দেশে দেশে যুদ্ধ এবং রাজনৈতিক দমনপীড়ন থেকে বাঁচতে উন্নত জীবনের আশায় শরণার্থীরা এবছর সাগরের বিপজ্জনক পথে পাড়ি দিয়ে দলে দলে ইতালি যাচ্ছে।
এদের মধ্যে একজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন ইতালির এক উপকূলরক্ষী কর্মকর্তা। বুধবার উদ্ধার পাওয়া এসব অভিবাসী কোন দেশের নাগরিক এবং তাদের মধ্যে একজন কিভাবে মারা গেল সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি ওই কর্মকর্তা। তবে সাগর অঞ্চলের আবহাওয়া খারাপ হয়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার আর কোনো নৌকার দেখা মেলেনি বলে জানান তিনি।
লিবিয়া পরিস্থিতি অস্থির হওয়ার কারণে মানবপাচারকারীরা অবাধে ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় ব্যাপকহারে মানুষ উঠাচ্ছে। এতে করে এ বছর ইতালিতে পাচার হওয়া মানুষের সংখ্যা ২ লাখে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে, গত বছরের তুলনায় এ সংখ্যা ৩০ হাজার বেশি। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার হিসাবমতে, এবছর মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই ইতালি পৌঁছেছে প্রায় ৩৫ হাজার ৫শ’ অভিবাসী।
ইতালির উপকূলরক্ষীদের দুটো টহল নৌকা এবং অন্য একটি বাণিজ্য জাহাজ বুধবার মাল্টার সমুদ্রসীমায় একটি নৌকা থেকে ৩২৮ জনকে উদ্ধার করেছে। ওদিকে, ইইউ এর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ মিশনে থাকা ফরাসি নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ট্রাইটন থেকে উদ্ধার করেছে ২৯৭ জনকে। এদের মধ্যে ৫১ জন নারী ও শিশু রয়েছে। এছাড়া, ইতালির নৌবাহিনীর একটি জাহাজ একজনের মৃতদেহসহ আরো ২৮৬ জনকে উদ্ধার করেছে। সবাইকেই ইতালির বন্দরে নেয়া হয়েছে বা হচ্ছে বলে জানান উপকূলরক্ষী ওই কর্মকর্তা।
ভূমধ্যসাগর থেকে অবৈধ অভিবাসীদেরকে উদ্ধার অভিযানের বোঝা বহন করছে ইতালি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ অন্যান্য সদস্যদেশগুলোকেও এ অভিযানে সামিল হওয়ার জন চাপ দিচ্ছে।