নিজের দেশে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই প্রথম বিদেশ সফরে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশে তার জনসমর্থন তলানিতে গিয়ে ঠেকলেও সৌদি আরবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পেয়েছেন সর্বোচ্চ সম্মাননা। তার এই সফরকে অতীতের অন্য সব মার্কিন প্রেসিডেন্টদের বিদেশ সফরের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই সফরের মাধ্যমেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দেশে জনপ্রিয়তা বাড়ানোর উপায় খুঁজতে হচ্ছে। এই সফরে দুই […]
নিজের দেশে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই প্রথম বিদেশ সফরে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশে তার জনসমর্থন তলানিতে গিয়ে ঠেকলেও সৌদি আরবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পেয়েছেন সর্বোচ্চ সম্মাননা। তার এই সফরকে অতীতের অন্য সব মার্কিন প্রেসিডেন্টদের বিদেশ সফরের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই সফরের মাধ্যমেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দেশে জনপ্রিয়তা বাড়ানোর উপায় খুঁজতে হচ্ছে।
এই সফরে দুই দেশের মধ্যে ২শ’ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি হবে। মার্কিনীরা তার সফর নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ না করলেও সৌদি আরবের বাদশাহ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সফর বিশ্বের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে বাড়াবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা দিয়েছেন বাদশাহ সালমান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে মুসলিম বিশ্বের কোনো দেশকে বেছে নিলেন।
স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার সকাল ১১টার দিকে রিয়াদের কিং খালিদ ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দরে পৌছায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বহনকারী বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ান। বিমানবন্দরে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তাকে স্বাগত জানান বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ। রিয়াদের আল ইয়ামায়াহ প্যালেসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সৌদি আরবের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘অর্ডার অব আব্দুল আজিজ আল-সৌদ মেডেল’ দেওয়া হয়। তাকে মেডেলটি পরিয়ে দেন বাদশাহ সালমান। এর আগে রিয়াদে পৌছেই টুইটার বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, রিয়াদে এসে আমি গর্বিত। পরবর্তী কর্মসূচির দিকে নজর দিচ্ছি।
বিমানবন্দরেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং বাদশাহ সালমানকে বন্ধুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নিতে দেখা যায়। এরপরই কঠোর নিরাপত্তায় তাদের গাড়ি বহর রাজপ্রাসাদে পৌছায়। শনিবার সকালে ট্রাম্প বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের সঙ্গে রাজপ্রাসাদে বৈঠক করেছেন। এরপর তার যুবরাজ ও ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্সদের সঙ্গে তার বৈঠক করার কথা।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ৯ দিনের বিদেশ সফরের প্রথমেই সৌদি আরব গেছেন। এর মাধ্যমে তিনি মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে যেমন সম্পর্ক বাড়ানোর চেষ্টা করবেন তেমনি থাকবে ইসলাম নিয়ে বক্তৃতা করে মুসলিম বিশ্বকে একত্র করার প্রচেষ্টা। এরপর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরাইল, বেলজিয়াম ইতালি এবং ভ্যাটিকান সিটিতে যাবেন।
সূত্র: সময়ের কণ্ঠস্বর