বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস ০৮ই জুন। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে প্রায় দেড় কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক। প্রতি বছর প্রায় ১৫ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। আর এভাবেই বাড়ছে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে যদি মাত্র ১ জন রক্তদান করে তবে দেশের […]
বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস
বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস ০৮ই জুন। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে প্রায় দেড় কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক। প্রতি বছর প্রায় ১৫ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। আর এভাবেই বাড়ছে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে যদি মাত্র ১ জন রক্তদান করে তবে দেশের রক্তের এই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। সংশ্লিষ্টরা জানান, থ্যালাসেমিয়া অনেক ধরনের হতে পারে। তবে এর মধ্যে থ্যালাসেমিয়া মেজর ও বিটা থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, পিতা-মাতার কারণে সন্তানরা থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়। এর থেকে প্রতিরোধের একমাত্র উপায় বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা এবং এ রোগের বিরুদ্ধে জনপ্রতিরোধ গড়ে তোলা। একমাত্র গণসচেতনতার মাধ্যমেই মরণব্যাধি থ্যালাসেমিয়া রোগ নির্মূল করা সম্ভব। আর এ ব্যাপারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে গণমাধ্যম।