Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ nobodharanews

বাংলাদেশি সংবাদ
৫:০১ এএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১

পলিথিনের খুপড়িতে মানবেতর জীবন, হাসিই যেন সম্বল!

ভাইয়ের সংসারে দুবেলা দু’মুঠো ভাতের ব্যবস্থা হলেও রাত কাটাতে হয় হাঁটু সমান পলিথিনের ছাউনির ছোট্ট খুপড়িতে। যেখানে ঢুকতে হয় বাচ্চাদের মতোই হামাগুড়ি দিয়ে। ঝড় হোক বা বৃষ্টি, বর্তমানে প্রচন্ড শীত ও কুয়াশার মধ্যেও হাসি মুখেই বসবাস তার। খোলা আকাশের নিচে হাঁটু সমান উচু পলিথিন, চটের বস্তা, ভাঙ্গা ইট ও বাঁশ দিয়ে নিজের তৈরি খুপড়ি ঘরেই […]

পলিথিনের খুপড়িতে মানবেতর জীবন, হাসিই যেন সম্বল!
২ মিনিটে পড়ুন |

ভাইয়ের সংসারে দুবেলা দু’মুঠো ভাতের ব্যবস্থা হলেও রাত কাটাতে হয় হাঁটু সমান পলিথিনের ছাউনির ছোট্ট খুপড়িতে। যেখানে ঢুকতে হয় বাচ্চাদের মতোই হামাগুড়ি দিয়ে। ঝড় হোক বা বৃষ্টি, বর্তমানে প্রচন্ড শীত ও কুয়াশার মধ্যেও হাসি মুখেই বসবাস তার।

খোলা আকাশের নিচে হাঁটু সমান উচু পলিথিন, চটের বস্তা, ভাঙ্গা ইট ও বাঁশ দিয়ে নিজের তৈরি খুপড়ি ঘরেই মানবেতর জীবনযাপন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী পলাশের। শীত নিবারণের জন্যও নেই তেমন কোনো গরম কাপড়।

বলছি খুলনার পাইকগাছার গদাইপুর ইউনিয়নের মেলেকপুরাইকাটী গ্রামের মৃত মুন্সী আমজাদ আহম্মেদের পুত্র বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ষাটোর্ধ্ব মুন্সী মাসুদুজ্জামান পলাশের (৬১) কথা।

তিন ভাই ও দুই বোনদের মধ্যে পলাশ বাবার দ্বিতীয় পুত্র। জন্ম থেকেই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও তার কথায় রয়েছে খানিকটা জড়তা। কোনো কথাই ঠিকমতো বলতে পারেন না তিনি। এক সময় তাদের আর্থিক অবস্থা মোটামুটি ভালো থাকলেও এখন জীবন যুদ্ধে কোনমতে খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছেন।

তবে প্রতিবন্ধী হওয়াতে সংসার করাও হয়নি তার। কেউ তার উপর ভরসা করে বিবাহ বন্ধনেও জড়াতে চাননি। আর তাই যেন একা থাকাতেই তার স্বাচ্ছন্দ্য। খুব একটা কথাও বলেন না তিনি। সবসময় শিশুদের সাথে হেসে খেলে সময় কাটানোই পছন্দ তার।

কোনো প্রশ্ন করলেও উত্তর না দিয়েই মুখের দিকে তাকিয়ে অসহায়ত্বের জানান দিয়ে শুধুই হাসে। আধুনিককালের সব যানবাহনে চড়তেও ভয় পান তিনি। তাই পায়ে হেঁটেই সবখানেই বিচরণ তার।

ষাটোর্ধ্ব এ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নিজে মানবেতর জীবনযাপন করলেও অন্যের দিকে সাহায্য পাবার আশায় হাত বাড়ায়নি কখনও। তাই হয়তো যেচে গিয়ে কেউ পাশে দাঁড়ায়নি তার। তবুও সমাজের একজন মানুষ হিসেবে তার প্রতি আমাদের কি কোন দায়িত্ব নেই! আমরা কি পারি না বিজয়ের মাসে অসহায় এ প্রতিবন্ধী মানুটার পাশে দাঁড়িয়ে তার মুখের হাঁসি অটুট রাখতে?

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম জানান, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী পলাশের মানবেতর জীবন যাপনের কথা জানতে পেরে তাৎক্ষণিক তার ঘর বানানোর জন্য টিন ও শীত নিবারণে কম্বলের ব্যবস্থা করেছেন তিনি। দ্রুত সেগুলো তার পরিবারের সদস্যদের কাছে পৌঁছাবে বলেও জানান তিনি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

সিডনিতে শতশিখায় উজ্জ্বল ঢাবি
৫ বছর আগে
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদ
প্রাণ হাতে নিয়ে ইউরোপ!
৫ বছর আগে
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদ

Advertise with us
Advertise with us
আরও nobodharanews সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com