সিডনিঃ ‘হাসিনা সরকার পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গনতন্ত্রকামী জনগণের উপরে দমনের নামে দেশজুড়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দিয়েছেন’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবকদল কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. মোসলেহউদ্দিন হাওলাদার আরিফ। গত ১৭ ই ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার)গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার যে কোনো মূল্যে অবৈধভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার অসৎ উদ্দেশ্যে […]
সিডনিঃ ‘হাসিনা সরকার পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গনতন্ত্রকামী জনগণের উপরে দমনের নামে দেশজুড়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দিয়েছেন’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবকদল কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. মোসলেহউদ্দিন হাওলাদার আরিফ।
গত ১৭ ই ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার)গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,
‘বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার যে কোনো মূল্যে অবৈধভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার অসৎ উদ্দেশ্যে দেশকে সংঘাতের মুখে ঠেলে দিয়েছে। দেশ আজ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই সব দায়দায়িত্ব নিতে হবে। বিরোধী দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের দলে দলে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। গণগ্রেফতার করে, হামলা এবং মামলা দিয়ে অবৈধ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। দেশে গুম, খুন, গ্রেফতার ও নির্যাতনই সরকারের কোনো সফলতা নেই। দেশের নাগরিকদের এভাবে রক্ত ঝড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী কী অর্জন করতে চান।এ ছাড়াও তিনি ২০ দলীয় জোট প্রধান ও বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে খাবার প্রবেশে পুলিশি বাধা এবং সরকারের একজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে সোমবার কার্যালয় ঘেরাওয়ের মতো উস্কানিমূলক কর্মসূচির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন’
তিনি বিবৃতিতে আরও বলেন, ‘গণআন্দোলনে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে দখলদার সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে টার্গেট করেছে। তারা রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহারের মাধ্যমে গুলশান কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ, টেলিফোন লাইন, ডিশ লাইন কেটে দিয়ে খালেদা জিয়াকে নেতা-কর্মী থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখার অপচেষ্টা চালিয়েছে। এখন কার্যালয়ে খাবার প্রবেশেও বাধা দেয়া হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং তার কার্যালয়ে উপস্থিত নেতা ও স্টাফদের খাবার প্রবেশে বাধা দিয়ে সরকার যে ঘৃণ্য কাজ করছেন, তা কোনো সভ্য সমাজে হতে পারে না। সরকার জানে না, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রীর সাথে এই বিমাতাসুলভ আচরণ তাদেরকে কোন অন্ধকার পথে নিয়ে যাচ্ছে। জনগণের ধৈর্য্যরে বাধ ভেঙ্গে গেলে পুলিশি প্রটোকল, অস্ত্র, গুলি কোন কিছুই কাজে আসবে না বলে নেতৃদ্বয় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তারা অবিলম্বে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে খাবার প্রবেশের ক্ষেত্রে বাধা তুলে নেয়ার দাবি জানান’।
মো. মোসলেহউদ্দিন হাওলাদার আরিফ বলেন, ‘সরকারের উপরের মহলের নির্দেশে নৌ মন্ত্রীর সম্প্রতি কর্মসূচি চরম উস্কানিমূলক। খালেদা জিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে কার্যালয় ঘেরাওয়ের চেষ্টা হয়েছে। শাহজাহান খান ঘেরাও কর্মসূচির নামে বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী করার হুমকি দিয়ে চরম দু:সাহস দেখিয়েছেন। শিগগিরই গণতন্ত্রকামী জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে তার এই হুমকির সমুচিত জবাব দেবে। বিএনপি পেট্রলবোমার এই ঘৃণ্য রাজনীতি কোনদিনই করেনি, আগামীতেও করবেও না। স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সরকারই বোমার রাজনীতি করছে। হরতাল-অবরোধ চলাকালে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ককটেল ও পেট্রলবোমাসহ গ্রেফতার হয়েছেন। এতেই প্রমাণিত হয়, কারা নাশকতার সঙ্গে জড়িত’।
সবশেষে তিনি বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নির্দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য দেশে বিদেশে সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীসহ প্রতি আহবান জানান