স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনাব জাকারিয়া পাপলু ১৯৯৮ সালে গোলাপগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক পদে মনোনিত হওয়ার পর থেকে ন্যায়, সংগ্রামে মধ্যে দিয়ে দায়িত্ব পালন কালে ২০০২ সালে গোলাপগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহন করে জনগনের রায়ে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল যে ছাত্রলীগের সেক্রেটারী থেকে জনপ্রতিনিধি। চেয়ারম্যান থাকাকালিন সময়ে আওয়ামী লীগের […]
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনাব জাকারিয়া পাপলু ১৯৯৮ সালে গোলাপগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক পদে মনোনিত হওয়ার পর থেকে ন্যায়, সংগ্রামে মধ্যে দিয়ে দায়িত্ব পালন কালে ২০০২ সালে গোলাপগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহন করে জনগনের রায়ে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল যে ছাত্রলীগের সেক্রেটারী থেকে জনপ্রতিনিধি।
চেয়ারম্যান থাকাকালিন সময়ে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে গোলাপগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মনোনিত হন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে সকল প্রতি বন্ধকতার মোকাবেলা করে গোলাপগঞ্জ পৌরসভায় পূণরায় মেয়র পদে নির্বাচিত হন। শপথ করেন গোলাপগঞ্জ পৌর শহরকে ডিজিটাল শহর হিসেবে উপহার দেবেন এবং ৯০% বাস্তবায়ন করেন।
বর্তমানে শত শত নেতাকর্মী গড়ার কারিগড় জনাব জাকারিয়া আহমদ পাপলু আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনকে নেতৃত্ব দিয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
স্থানীয় রাজনীতি বীদদের ধারনা পাপলু যেমন ক্লীন ইমেজ নিয়ে পরিচ্ছন্ন রাজনীতির সুবাদে সফলতা অর্জন করেছে সেই পথ অবলম্বন করেছেন তার গ্রুপের ছাত্র রাজনীতির মেধাবী’রা। রাজনীতিতে অভিযোগহীন পাপলু গ্রুপের নেতাকর্মী অাসন্ন ছাত্রলীগের কমিটিতে তাদের মূলায়ন করে গোলাপগঞ্জের সুস্থ রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে জেলা ছাত্রলীগের প্রতি আহবান জানান।