Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ nobodharanews

বাংলাদেশি সংবাদ
১:৪৫ এএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

জীবনের সব সঞ্চয় বিদ্যানন্দের কাছে তুলে দেবার গল্প!

আমরা হয়তো একটা কমেন্ট দিয়ে দায়িত্ব শেষ হয়ে গেছে মনে করবো। আর বিদ্যানন্দের স্বেচ্ছাসেবীরা নিজ উদ্যোগে দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে কাজটা শেষ করবে। তবে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের একার পক্ষে এই প্রেক্ষাপট বদলানো সম্ভব না। মৃত্যুর পূর্বে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির শেষ ইচ্ছে ছিলো তিনি বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের “এক টাকায় আহার” প্রজেক্টে তার জীবদ্দশায় সঞ্চিত সকল অর্থ, ব্যবহার্য […]

জীবনের সব সঞ্চয় বিদ্যানন্দের কাছে তুলে দেবার গল্প!
৩ মিনিটে পড়ুন |

আমরা হয়তো একটা কমেন্ট দিয়ে দায়িত্ব শেষ হয়ে গেছে মনে করবো। আর বিদ্যানন্দের স্বেচ্ছাসেবীরা নিজ উদ্যোগে দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে কাজটা শেষ করবে। তবে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের একার পক্ষে এই প্রেক্ষাপট বদলানো সম্ভব না।

মৃত্যুর পূর্বে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির শেষ ইচ্ছে ছিলো তিনি বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের “এক টাকায় আহার” প্রজেক্টে তার জীবদ্দশায় সঞ্চিত সকল অর্থ, ব্যবহার্য সম্পদ দান করে দেবেন। প্রিয় সন্তান হারানোর ধাক্কাটা এখনো সামলে উঠতে পারেননি সেই ব্যক্তির মা, তবুও গিয়েছিলেন বিদ্যানন্দের প্রতিষ্ঠানটি দেখতে। যাচাই করতে চাচ্ছিলেন কোথায় যাচ্ছে প্রিয় সন্তানের শেষ চিহ্নগুলো!

“বাবা, ছেলের মোবাইলটা কি রাখতে দিবা আমাকে? সমপরিমাণ টাকা আমি দিয়ে দিচ্ছি। মোবাইলটা দিয়ে সন্তানকে অনুভব করতে চাই বাকি জীবনটা” অশ্রুসিক্ত নয়নে কথাগুলো বলেছিলেন এই মা। বাকরুদ্ধ হয়ে যাবার মত ঘটনা, তাই না? সান্ত্বনা দেবার মত শব্দ জানা নেই, শুধু বুকভর্তি দোয়া আছে সেই মানুষটার জন্য, তার বিদেহী আত্মা ও পরিবারের জন্য।

একটা মানুষ তার সবকিছু দিয়ে দিলো আর্তমানবতার সেবায়। ভাবা যায়? কয়জনা পারে এমনটা করতে? এই ঘটনাটি যখন জানতে পারলাম কিছুক্ষণের জন্য চুপ হয়ে গিয়েছিলাম। এই মানুষগুলো হিউম্যানিটি রিস্টোর করেই যাচ্ছেন, আর দিনকে দিন আমাদের লজ্জায় নিমজ্জিত করে দিচ্ছেন। তাদের তুলনায় কিছুই করতে পারছি না। চাইলে কতভাবেই না সাহায্য করা যায়। শুধুমাত্র সাহায্য করবার জন্য মানবিক ইচ্ছেটাই প্রয়োজন।

শুধু এই মাসেই আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লাখ শহীদের প্রতি উৎসর্গ করে- ত্রিশ লাখ খাবার প্যাকেট বিতরণের মাইলস্টোন অতিক্রম করেছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। “স্থায়ী কিছু করুন” এমনই ফ্রি উপদেশ পেয়ে থাকেন বিদ্যানন্দের স্বেচ্ছাসেবকেরা।

কিন্তু ঐ তিন শব্দের উপদেশের ওজন, তার আর বইতে গেলে প্রয়োজন কয়েক কোটি টাকা! সেই মূল্য শোধ করবেন কে? সবাই তো উপদেশ দিয়েই গায়েব। তবুও বিদ্যানন্দ চেষ্টা চালিয়ে যায়। সেই চেষ্টায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে আহার জোটে। আপনারা যারা এমন পরিস্থিতিতে পাশে দাঁড়াতে চাচ্ছেন, তাদেরকে নিচের একাউণ্টে সাহায্য পাঠানোর অনুরোধ করা যাচ্ছে।

১/ Acc Name: Bidyanondo Foundation, Acc No: 1545203874746001, Brac Bank (Swift: BRAKBDDH), Shantinagar Branch (Motijeel SME Servire centre), Dhaka, Routing No: 060274289.

২/ Acc Name: Bidyanondo Foundation, Acc No: 0221360001049, Social Islamic Bank Ltd (Swift: SOIVBDDH), Nawabpur Branch, Dhaka. Routing No: 195274754

৩/ পেপল একাউন্ট – info@onetakameal.org

৪/ বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট: 01878116230 (Payment option এ টাকা পাঠাতে হবে; counter no: 1 টিপতে হবে)

৫/ ব্যক্তিগত বিকাশ একাউন্ট: 01824808052, 01708521955, 01708521956, 01708521957, 01708521958

৬/ DBBL Mobile Banking: 017666856869

৭/ নগদ মার্চেন্ট একাউন্টঃ 01878116231 (Payment option এ counter no: 1 টিপতে হবে)

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের সার্বাধিক প্রজেক্ট ‘এক টাকার আহার’ টিকিয়ে রাখতে দাতাদের সাহায্য দরকার। বিদ্যানন্দ কোনো লোক মারফত কিংবা ইভেন্ট করে অনুদান সংগ্রহ করে না। রাস্তায় ঘুরে লোক মারফৎ কিংবা রাস্তায় ইভেন্ট করেও অনুদান সংগ্রহ করে না।

অনুগ্রহ করে সরাসরি বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ব্যতিত অন্য কোথাও অনুদান দিয়ে প্রতারিত হওয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ রইলো। আপনারা যারা কমেন্টে সাহায্য করতে চান, তারা উপরে বর্ণিত তথ্য অনুযায়ী সাহায্য করতে পারেন বিদ্যানন্দকে। যে যার অবস্থান থেকে সাধ্যমত এগিয়ে এসে এই মহৎ উদ্যোগের সাথে সরাসরি সংযুক্ত হতে পারেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

সিডনিতে শতশিখায় উজ্জ্বল ঢাবি
৫ বছর আগে
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদ
প্রাণ হাতে নিয়ে ইউরোপ!
৫ বছর আগে
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদ

Advertise with us
Advertise with us
আরও nobodharanews সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com