অপরাজেয় বাংলা’র ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টায় মৃত্যুবরণ করেছেন। আব্দুল্লাহ খালিদ দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের ‘অপরাজেয় বাংলা’ তার বিখ্যাত ভাস্কর্য। এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের সামনে রয়েছে তার তৈরি ম্যুরাল ‘আবহমান বাংলা’। বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনের টেরাকোটার ভাস্কর্যটিও তার […]
অপরাজেয় বাংলা’র ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
আব্দুল্লাহ খালিদ দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের ‘অপরাজেয় বাংলা’ তার বিখ্যাত ভাস্কর্য। এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের সামনে রয়েছে তার তৈরি ম্যুরাল ‘আবহমান বাংলা’। বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনের টেরাকোটার ভাস্কর্যটিও তার তৈরি।
উল্লেখ্য যে, ১৯৭৯ সালের ১৯ জানুয়ারি পূর্ণোদ্যমে অপরাজেয় বাংলার নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় এ ভাস্কর্যের উদ্বোধন করা হয়। তবে অপরাজেয় বাংলার কাছে ভাস্করের নাম খচিত কোন শিলালিপি নেই। স্বাধীনতার এ প্রতীক তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন গুণী শিল্পী ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনের বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে। এ ভাস্কর্যে সব শ্রেণীর যোদ্ধার প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হয়েছে।
আব্দুল্লাহ খালিদ শিল্পকলা ও ভাস্কর্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৪ সালে শিল্পকলা পদক এবং ২০১৭ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন। তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক আব্দুল্লাহ খালিদের বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। নিউজ ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর