প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম বলেছেন, আমাদের দেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা অনেক। ১১৮টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত যারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে থাকে। এর বাইরে যদি বিদেশি পর্যবেক্ষক আহ্বান করতে থাকি তাহলে তাদের দেখাশোনা করতেই তো সিকিউরিটির অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে সতর্ক থাকা দরকার। জাতীয় সংসদ […]
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম বলেছেন, আমাদের দেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা অনেক। ১১৮টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত যারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে থাকে। এর বাইরে যদি বিদেশি পর্যবেক্ষক আহ্বান করতে থাকি তাহলে তাদের দেখাশোনা করতেই তো সিকিউরিটির অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে সতর্ক থাকা দরকার।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কয়েকটি দাবি-দাওয়া ও প্রস্তাবনা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
বিদেশি পর্যবেক্ষক আসার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ নির্বাচন কমিশনকে নিরুৎসাহিত করছে কি-না জানতে চাইলে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘না নিরুৎসাহিত করছি না। আমরাই বলেছি বিদেশিরা আসতে পারে। কিন্তু তারা মাঝেমধ্যে এমনভাবে আসে, সাংবাদিক হিসেবে এসে বলেন আমি পর্যবেক্ষক। এ ধরনের হবে না। আচরণবিধি ও আইন মেনে চলতে হবে। যেই আসবে বাংলাদেশের আইন মেনে চলতে হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিধিমালায় সুস্পষ্ট আছে, স্থানীয় এনজিও নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করলে কী কী করবে আর বিদেশিরা পর্যবেক্ষণ করলে কী কী করবে। নির্বাচনে এসব যেন সকলে মেনে চলেন এবং খুব শক্তভাবে পরিচালনা করা হয়।