ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নারীর শ্লীলনতাহানীর নিন্দা জানিয়ে লেখক হুমায়ুন আহমেদের স্ত্রী এবং অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন লম্পট না হওয়ার জন্য ‘খারাপ মন-মানসিকতার লোকদের’ প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এই ধরনের খারাপ মন-মানসিকতার লোকদের হাতজোড় করে অনুরোধ করছি, আপনারা আমাদের ভাই হোন, বন্ধু হোন, ভালো লাগলে প্রেমিক হওয়ার চেষ্টা করেন।’ […]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নারীর শ্লীলনতাহানীর নিন্দা জানিয়ে লেখক হুমায়ুন আহমেদের স্ত্রী এবং অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন লম্পট না হওয়ার জন্য ‘খারাপ মন-মানসিকতার লোকদের’ প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এই ধরনের খারাপ মন-মানসিকতার লোকদের হাতজোড় করে অনুরোধ করছি, আপনারা আমাদের ভাই হোন, বন্ধু হোন, ভালো লাগলে প্রেমিক হওয়ার চেষ্টা করেন।’ ‘অথবা একটা মায়াবতী নারীর স্বামী হওয়ার চেষ্টা করেন এবং বাবা হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু নরপিশাচ হবেন না, লম্পট হবেন না,’ যোগ করেন শাওন।
এ সময় আবৃত্তিকার শিমুল মোস্তফা বলেন, ‘আমি কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। ১৯৭১ সালে নারী নির্যাতনের জন্য যদি নিজামির ফাঁসি হয়, তাহলে এরাও এক ধরনের রাজাকার। এদেরকে কেন ফাঁসি দেয়া হবে না?’ তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের নারী নির্যাতন কারীদের এক চোখে দেখা হবে আর এদেরকে অন্য চোখে দেখা হবে তা হবে না। যুদ্ধকালীন সময়ে অনেক কিছু ঘটতে পারে। কিন্তু স্বাধীন দেশে এ ধরনের ঘটনা, এটা একেবারে মেনে নেয়া যায় না। তাই আমি এদের ফাঁসি দাবি করছি।’
অভিনেত্রী কল্যাণ কোরাইয়া বলেন, ‘এই ধরনের ঘটনা চিন্তা করলে আমার শরীর শিরশির করে উঠে, শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যায়। কারণ আমার ঘরেও মা বোন আছে। পুরুষ মানুষ নারীদের নিরাপত্তা দিবে। কিন্তু যখন এভাবে দলবদ্ধভাবে এটা করে তখন তাদেরকে প্রতিরোধ করা যায় না। এই ধরনের অপরাধীদের ফাঁসিতেও আমি সন্তুষ্ট নই।’
‘তারুণ্য আর একবার রুখে দাঁড়াও এই শহরে পুরুষ নামের নরপশুদের বিরুদ্ধে, নারী নিগৃহের বিরুদ্ধে হোক প্রতিবাদ’ শীর্ষক এই মানববন্ধনের আয়োজন করেন শিল্পীরা।