বাংলাদেশর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আরব আমিরাত সফরকে কেন্দ্র করে আশায় বুক বেধে ছিলেন আরব আমিরাত প্রবাসী বাঙালিরা। সুসংবাদের প্রত্যাশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনাও দেন তারা। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন আমরা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক করেছি। প্রবাসীদের জন্য অনেক জনকল্যানমূলক কাজ করে যাচ্ছি। তাই এ জনকল্যানমূলক কাজে আশ্বস্থ হয়ে সৌদি আরব […]

বাংলাদেশর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আরব আমিরাত সফরকে কেন্দ্র করে আশায় বুক বেধে ছিলেন আরব আমিরাত প্রবাসী বাঙালিরা। সুসংবাদের প্রত্যাশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনাও দেন তারা। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন আমরা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক করেছি। প্রবাসীদের জন্য অনেক জনকল্যানমূলক কাজ করে যাচ্ছি।
তাই এ জনকল্যানমূলক কাজে আশ্বস্থ হয়ে সৌদি আরব সরকার আমাদেরকে পুরস্কৃত করেছে। অধীর আগ্রহে মনযোগ দিয়ে সকলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনেন । সবার মনে একটাই আশা প্রধানমন্ত্রী আরব আমিরাতের শ্রমবাজার সংক্রান্ত কোনো সুখবর শুনাবেন । কিন্তু প্রবাসীদের শোনা হলোনা সেই সুসংবাদের বাণী। প্রধানমন্ত্রী আধা ঘণ্টা বক্তব্য দিলেও উঠে আসেনি আরব আমিরাতের শ্রম বাজার উন্মুক্ত হওয়ার কথা । অবশেষে সমাপনী বক্তব্য টেনে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী । যে আশা নিয়ে দূর দূরান্ত থেকে আসলেন প্রবাসীরা তাদের সকলকে হতাশ হয়ে ফিরতে হলো। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কোনো সুসংবাদ না পেয়ে সকলের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে । দীর্ঘ আড়াই বছর আরব আমিরাতের শ্রম বাজার বন্ধ থাকলেও সরকার কোনো জোরালো পদক্ষেপ নেয়নি, প্রধানমন্ত্রী এসে তার একটা সমাধান করে যাবেন এমটাই ছিল প্রবাসীদের আশা। কিন্তু তাও হলোনা । তাহলে কি প্রধানমন্ত্রীর আরব আমিরাত সফর ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলো? সবার মনে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।