Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ nobodharanews

বাংলাদেশি স্থানীয় সংবাদ
৮:০০ পিএম, ৩০ জুলাই ২০১৯

রাজশাহীতে রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ, তবুও আক্ষেপ নেই মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর

মুক্তিযুদ্ধ শেষে রাজশাহী সার্কিট হাউজে অস্ত্র জমা দিতে আসেন বগুড়ার গাবতলীর মঞ্জুর চৌধুরী মঞ্জু। অস্ত্র জমা দিয়ে আর বগুড়ায় ফেরেননি তিনি। থেকে যান রাজশাহীতেই। ভদ্রা এলাকায় রেললাইনের ধারে কুড়ে ধরে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘদিন যাবত সেখানে থাকছেন তিনি। জীবিকার তাগিদে ১৯৭২ সালের মাঝামাঝি থেকে শুরু করেন রিকশা চালানো। মূলত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে […]

রাজশাহীতে রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ, তবুও আক্ষেপ নেই মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর
২ মিনিটে পড়ুন |

মুক্তিযুদ্ধ শেষে রাজশাহী সার্কিট হাউজে অস্ত্র জমা দিতে আসেন বগুড়ার গাবতলীর মঞ্জুর চৌধুরী মঞ্জু। অস্ত্র জমা দিয়ে আর বগুড়ায় ফেরেননি তিনি। থেকে যান রাজশাহীতেই। ভদ্রা এলাকায় রেললাইনের ধারে কুড়ে ধরে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘদিন যাবত সেখানে থাকছেন তিনি।

জীবিকার তাগিদে ১৯৭২ সালের মাঝামাঝি থেকে শুরু করেন রিকশা চালানো। মূলত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে দীর্ঘ প্রায় ৪৮ বছর ধরে রিকশা চালান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির রাজনৈতিক পট পরিবর্তন, জামাত-শিবিরের উত্থান সবই দেখেছেন নিজের চোখে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা শেখ হাসিনার ভক্ত মঞ্জু সুযোগ পেলেই যাত্রীদের শোনান মুক্তিযুদ্ধের গল্প। শোনান বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে সশস্ত্র পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়তে যাওয়ার সাহসী গল্প। মুগ্ধ হয়ে শোনেন অনেকেই, জানতে চান তার সার্টিফিকেট কই?

কিন্তু মঞ্জুর কথা সার্টিফিকেট নিতে তো আমি যুদ্ধ করিনি।যুদ্ধ করেছি দেশ স্বাধীন করেছি। আমার কাজ আমি করবো। রুটি-রুজির মালিক আল্লাহ। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি নিজেকে সম্মানিত মনে করেন।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে রিকশা চালানোর সময় অনেক শিক্ষিত মানুষের দ্বারা খারাপ ব্যবহারের শিকার হন মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জু। যা বলতে গিয়ে অনেক সময় কেঁদে ফেলেন তিনি। এদিকে, ভদ্রা রেল লাইনের ধারে যে ঘরে বসবাস করতেন মঞ্জু, তা কিছুদিন আগে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় ভেঙে ফেলা হয়েছে।

বাঁশ ও পলিথিনে মুড়ে কুড়ে ঘর বানিয়ে তাতে থাকছেন এখন এই মুক্তিযোদ্ধা। তবে এ ব্যাপারে কারো প্রতি তার কোনো অভিযোগ নেই। কারো কাছে হাত পাততেও রাজি নন তিনি। রাষ্ট্রীয় কোনো সহায়তার জন্যও নেই তার কোনো আকুতি। মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর চাওয়া শুধু- দেশের মানুষ ভালো থাকুক। ভালো থাকুক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান সুমন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হওয়ার পর ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়ানোর পর থেকে মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর চাচাকে চিনি। তিনি খুব ভালো মানুষ। তার কাছে আমরা মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতাম। তিনি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ভালোবাসতেন। তার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। তিনি সবসময় দেশের মানুষ এবং প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

সূত্র: দশ দিগন্ত

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

প্রাণ হাতে নিয়ে ইউরোপ!
৫ বছর আগে
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদ
রাজশাহীর ‘কলাই রুটি’
৫ বছর আগে
বাংলাদেশি সংবাদ

Advertise with us
Advertise with us
আরও nobodharanews সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com