নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সহ সভাপতি সাংবাদিক শামসুস সালেহীন এর মৃত্যুতে বিভিন্ন সংগঠন, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিকরা শোক প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিকের মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জ তথা সাংবাদিক পরিমন্ডলে একটি বিশাল শূণ্যতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। সালেহীন খুব দ্রুত ক্রীড়া সাংবাদিক থেকে জাতীয় পর্যায়ে সুনাম অর্জন করে। পেশাগত জীবনে সালেহীন বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের শান্তি রক্ষা […]
নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সহ সভাপতি সাংবাদিক শামসুস সালেহীন এর মৃত্যুতে বিভিন্ন সংগঠন, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিকরা শোক প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিকের মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জ তথা সাংবাদিক পরিমন্ডলে একটি বিশাল শূণ্যতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
সালেহীন খুব দ্রুত ক্রীড়া সাংবাদিক থেকে জাতীয় পর্যায়ে সুনাম অর্জন করে। পেশাগত জীবনে সালেহীন বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের শান্তি রক্ষা বাহিনীর সুনাম তুলে ধরার জন্য বেশ কয়েকটি দেশ ভ্রমনও করেন। সালেহীন দৈনিক জনতায় নারায়নগঞ্জ থেকে ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদ প্রেরন দিয়ে জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। প্রথমে জনতার নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধি ও পরবর্তীতে স্টাফ রিপোর্টার হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দৈনিক আমার দেশের সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে।বাস্তবতা হলো সালেহীন যখন এ পেশায় আসেন তখন নারায়নগঞ্জের সাংবাদিকতা ছিলো বিরাট চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।
শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা। এসোসিয়েশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি তাপস সাহা ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান শ্যামল শোক বার্তায় আপোষহীন কলম সৈনিক শামসুস সালেহীনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
প্রসঙ্গত মঙ্গলবার ভোরে শহরের আমলাপাড়ার নিজ বাসভবনে দীর্ঘদিন ডায়াবেটিকস রোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহে রাজেউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫০ বছর। দীর্ঘ ৪ বছর যাবত সার্ভিক্যাল মাইলোপ্যাথি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ মেয়ে সামিয়া সালেহীন শান্তা ও সাবিবা সালেহীন সাবা ও সামিউল সালেহীন সাদাত নামে এক ছেলে সন্তান রেখে যান।