২০১১ সালে একুশে পদক পাওয়া বাউল করিম শাহ হাঁপানি রোগাক্রান্ত হয়ে এভাবেই অসুস্থ অবস্থায় পরে আছেন কুষ্টিয়া সরকারী হাসপাতালে। টাকার অভাবে তার সুচিকিৎসা হচ্ছে না, জুটছে না ওষুধ-পথ্য। কোথাও কোন সাহায্য-সহযোগিতা না পেয়ে স্বামীকে সুস্থ্ করে তুলতে পথে নেমেছেন বৃদ্ধ স্ত্রী রিজিয়া খাতুন। ভিক্ষার হাত বাড়িয়েছেন মানুষের দ্বারে। ভাবছেন বাউল সংষ্কৃতির ব্যবসায়ী ভেকধারী বৈরাগী চেতনাজীবী […]
২০১১ সালে একুশে পদক পাওয়া বাউল করিম শাহ হাঁপানি রোগাক্রান্ত হয়ে এভাবেই অসুস্থ অবস্থায় পরে আছেন কুষ্টিয়া সরকারী হাসপাতালে। টাকার অভাবে তার সুচিকিৎসা হচ্ছে না, জুটছে না ওষুধ-পথ্য। কোথাও কোন সাহায্য-সহযোগিতা না পেয়ে স্বামীকে সুস্থ্ করে তুলতে পথে নেমেছেন বৃদ্ধ স্ত্রী রিজিয়া খাতুন। ভিক্ষার হাত বাড়িয়েছেন মানুষের দ্বারে। ভাবছেন বাউল সংষ্কৃতির ব্যবসায়ী ভেকধারী বৈরাগী চেতনাজীবী আর সম্মিলিত সাংষ্কৃতিক জোট কিছু করছে না কেন? চেতনাজীবীতার মূল দর্শন হচ্ছে পুজা-অর্চনা, আর সম্মিলিত সাংষ্কৃতিক জোট হচ্ছে সংষ্কৃতিকর্মীদের আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম।
মাথায় গামছা বেঁধে গেরুয়া ফতুয়া গায়ে দিয়ে একদিনের বৈরাগী চেতনাজীবীরা শকুনের মত অপেক্ষা করে আছে কখন বাউল করিম শাহ মরবেন, আর কখন তারা উনার মুর্তি বানিয়ে পুজা-অর্চনা শুরু করে নৈবেদ্য-প্রসাদ ভাগাভাগি করতে পারবে। আর সম্মিলিত সাংষ্কৃতিক জোট অপেক্ষা করছে এই মহান শিল্পীর মৃত্যুর পর শহীদ মিনারে একটি শোক সভা করার জন্য।
মরমী লালন সাধককে চিকিৎসার মাধ্যমে সূস্থ্য করে তোলার জন্য এদের কারো কোন আগ্রহ নেই।
আপনাদের কারো যদি আগ্রহ থাকে তাহলে কুষ্টিয়া সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই মরমী লালন সাধকের চিকিৎসার জন্য এগিয়ে আসতে পারেন