Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ nobodharanews

বাংলাদেশি স্থানীয় সংবাদ
২:৪৩ পিএম, ২৬ মার্চ ২০১৫

ফেলানি হত্যা মামলার পুনর্বিবেচনা স্থগিত

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানি খাতুন হত্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার কাজ আবারও পিছিয়ে গেছে। প্রায় চার মাস পর বুধবার ওই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিলো। বিএসএফের আইনজীবী অসুস্থ হয়ে পড়ায় আদালতের কাজ শুরু করা যায়নি। কোচবিহারের সোনারি বিএসএফ ছাউনিতে মোট ৫ জন বিচারকের অধীনে বিচার প্রক্রিয়াটি চালানোর কথা ছিল।বিএসএফ […]

ফেলানি হত্যা মামলার পুনর্বিবেচনা স্থগিত
২ মিনিটে পড়ুন |

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানি খাতুন হত্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার কাজ আবারও পিছিয়ে গেছে। প্রায় চার মাস পর বুধবার ওই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিলো।
বিএসএফের আইনজীবী অসুস্থ হয়ে পড়ায় আদালতের কাজ শুরু করা যায়নি। কোচবিহারের সোনারি বিএসএফ ছাউনিতে মোট ৫ জন বিচারকের অধীনে বিচার প্রক্রিয়াটি চালানোর কথা ছিল।বিএসএফ সূত্রগুলো বলছে, বিচারকেরা সবাই হাজির হলেও অসুস্থতার কারণে বিএসএফের সরকারী আইনজীবী বা প্রসিকিউটর কোচবিহারে পৌঁছতে পারেননি। তাই আদালত বসলেও কাজ শুরু করা যায়নি। এর আগেও রায় পুনর্বিবেচনার কাজ দুবার স্থগিত করে বিএসএফ আদালত।
প্রসঙ্গত, সেনাবাহিনীর সমতুল্য বিএসএফের নিজস্ব আদালত জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সের কোর্ট (জিএসএফসি) ২০১৩ এর সেপ্টেম্বরে প্রথম রায়ে ফেলানি হত্যায় অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করেছিল। পরে বাহিনীর মহা নির্দেশক সে রায় পুনর্বিবেচনার আদেশ দেন।
মামলার পুনর্বিবেচনার কাজ শুরু হয়েছিল গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে। কিন্তু পাঁচদিন পরে সে প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। পুনর্বিবেচনার প্রক্রিয়া শুরু হয় ১৭ নভেম্বর। কিন্তু ২১ নভেম্বর আদালতেই অভিযুক্ত অমিয় ঘোষ জ্ঞান হারানোর কারণে চার মাস পিছিয়ে গিয়েছিল প্রক্রিয়া। যদিও পুনর্বিবেচনার সময়ে নতুন করে কারও সাক্ষ্য নেওয়ার নিয়ম নেই। তবুও ফেলানির বাবার সাক্ষ্য নতুন করে নথিভুক্ত করা হয়েছে।
সর্বশেষ পুনর্বিবেচনার সময়ে অবশ্য ফেলানির পরিবারের কেউ ভারতে আসেননি বলেই জানিয়েছেন তাদের আইনজীবী আব্রাহাম লিঙ্কন। বিএসএফ কর্মকর্তারা বলছেন, ফেলানির পরিবার বা তাদের আইনজীবীর এ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আর কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়ে গেছে। এবারে নতুন সাক্ষ্য আর মূল মামলার নথিপত্র দেখে বিচারকেরা সিদ্ধান্ত নেবেন।
২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে বাবার সঙ্গে সীমান্ত পেরোনোর সময় পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চৌধুরী হাটে গুলিবিদ্ধ হন ফেলানি। বিয়ের জন্য দেশে ফিরে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু ভোরের কুয়াশায় কোনো একজনকে সীমান্ত পেরতে দেখে গুলি চালান বিএসএফ প্রহরী অমিয় ঘোষ। মৃত্যুর পরে দীর্ঘক্ষণ ফেলানির মৃতদেহ কাঁটাতারেই ঝুলে ছিল।
বিএসএফ নিজের প্রহরীর বিরুদ্ধেই অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করে। কিন্তু মামলা শুরু হতেই লেগে যায় প্রায় আড়াই বছর। বিএসএফ আইন অনুযায়ী, যে বিচারকেরা মূল মামলার বিচার করেছিলেন তারাই পুনর্বিবেচনার প্রক্রিয়াও চালাবেন। কিন্তু তারা এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বদলি হয়ে গেছেন। ফলে তা আরও জটিল হয়ে গেছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

প্রাণ হাতে নিয়ে ইউরোপ!
৫ বছর আগে
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদ
রাজশাহীর ‘কলাই রুটি’
৫ বছর আগে
বাংলাদেশি সংবাদ

Advertise with us
Advertise with us
আরও nobodharanews সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com